টপিক: ধারাবাহিক : মিসওয়াকের মহা বিস্ময়কর রুপ (পর্ব-২৮)

৭. দাঁত সংস্থাপন (Implantation of tooth) ও মিসওয়াক
কোন কারণে বা আঘাত জনিত কারণে কারো দাঁত পড়ে গেলে সেই দাঁত পুর্বের স্থানে সংস্থাপন করা যায়। অবশ্য এজন্য পড়ে যাওয়া দাঁতকে নরম ভিজা কাপড় দিয়ে পরিস্কার করে ৭২ ঘন্টার মধ্যে ডাক্তারের কাছে আনতে হবে। পরবর্তিতে সংস্থাপিত দাঁতের যত্ন নিতে নিয়মিত মিসওয়াক করতে হবে।

৮. দাঁত বনাম দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণশক্তি এবং মিসওয়াক
আমরা তাকালেই কি সব দেখতে পাই? যদি বলি হ্যাঁ তবে রাত্রে দেখতে পাই না কেন? তবে হ্যাঁ রাত্রে অন্ধকার দেখি কিন্তু কোন বস্তু দেখতে পাই না কেন? এর কি কোন রহস্য আছে? আছেই তো, রাত্রে আলো জ্বালালে আবার দেখতে পাই। কেন? প্রকৃত পক্ষে আমাদের চোখ কিছুই দেখতে পায় না, ইহা দেখতে সাহায্য করে মাত্র। যেমন অক্সিজেন নিজে জ্বলেনা কিন্তু জ্বলতে সাহায্য করে, শিক্ষক তাঁর ছাত্রকে মুখস্ত করিয়ে দিতে পারে না, বুঝিয়ে দিতে পারে না, মুখস্ত করতে বা বুঝতে সহায়তা করে মাত্র। যদি তাই না হবে তবে একই শ্রেণীতে একই স্যারের ক্লাশে বসে কেউ শতকরা একশ কেউ পঞ্চাশ আবার কেউবা শূন্য পায় কেন? মূলত এটি গ্রহণ করার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে। যেমন যাদের চোখের সমস্যা তারা ভালো দৃষ্টি সম্পন্ন চোখওয়ালাদের চাইতে কম দেখে থাকেন। কেউ দুরে ভালো দেখেন কেউ কাছে ভালো দেখেন। এখানেই রহস্য ! মূলত কোন বস্তু যে আলো বিস্তার করে তা গ্রহণ করার সামর্থ্যরে উপর ভিত্তি করে আমরা দেখতে পাই।
এছাড়া শ্রবণ শক্তি মানুষের তথা জীবের বড় ধরণের শক্তি। যা ছাড়া জীবন অনেকাংশে বৃথা। শ্রবণহীনতায় অনেক সময় বড় বিপদে পড়তে হয়। যাদের শ্রবণশক্তি নেই তাদের আমরা বধির বলি, স্থান ভেদে কালা বা ঠোসা বলা হয়। যারা বধির তাদের সামনে অনেক সময় ভালো কথা বললেও মন্দ ভাষা বা গালি শুনতে হয়। তারাও সামাজিক ভাবে নিজেদের হেয় প্রতিপন্ন করেন। দাঁতের রোগের কারণেও মানুষের শ্রবণশক্তি লোপ পায়। এ বিষয়ে আমার অভিজ্ঞতা হল আমার কানে ঘা বা পূঁজ হয়েছিল। কানে অনেক কম শুনতাম। পরে ডাক্তার দেখিয়ে কানের রোগ নিরাময় হলেও মাঝে মাঝে এ উপসর্গ দেখা দিত। পরে দাঁতের ডাক্তারের কাছে দাঁতের চিকিৎসা করালে কানের রোগ এ পর্যন্ত দেখা দেয়নি। এমন আরও অনেক দেখা গেছে কানের রোগের চিকিৎসা করেও কানের পূঁজ সম্পূর্ণ দূর করা গেল না। পরে পরীক্ষা করে দেখা গেছে মুখের ভিতরের পূঁজের কারণে কানের রোগকে দূর করা সম্ভব হচ্ছেনা। দাঁতের গোড়ার পূঁজ নিরাময় করার অল্পদিন পর কানের পূঁজও ভালো হয়ে গেল।
দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে খাবার জমে থেকে মুখ দিয়ে দূর্গন্ধ ছড়াতে থাকলে মানুষ চক্ষু রোগে ভোগে, দৃষ্টিশক্তি লোপ পায় বা দূর্বল হয়। অন্ধে পরিণত হতে পারে। এই অসহায়ত্ব থেকে রক্ষা পেতে হলে নিয়মিত মিসওয়াক বা ব্রাশ ব্যবহার অবশ্যই জরুরী।


এখানেও লিখতে যোগ দিলাম

আপনার আমন্ত্রণ রইল আমাদেরে এলাকায় মন্তব্য করা ও কিছু লিখার জন্য চলনবিল

জবাব: ধারাবাহিক : মিসওয়াকের মহা বিস্ময়কর রুপ (পর্ব-২৮)

ভালো লাগলো ।

http://s7.postimage.org/jd5k2og6v/702174_447944615269126_1968962762_n.jpg