টপিক: ধারাবাহিক : মিসওয়াকের মহাবিস্ময়কর রূপ (পর্ব-৩৪)

১৫. হৃদরোগ ও মিসওয়াক
নিয়মিত দাঁত ব্রাশ বা মিসওয়াকের মাধ্যমে হার্ট অ্যাটাক ও মস্তিষ্কের স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক লক্ষ্য করেন, যে সকল লোকের মুখে ঘা বা মাড়ির অসুখ আছে তাদের রক্তবাহী নালী সরু হয়ে যাওয়ার রোগে ভুগেন। একে বলে অ্যাথ্রো-স্কোলেরোসিস (Athero-sclerosis)। এটা থেকে হার্ট অ্যাটাক বা মস্তিষ্কের স্ট্রোক হতে পারে। এই গবেষণায় দেখা যায়, গবেষণাধীন লোকদের মুখগহ্বরে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় ব্যাকটেরিয়া বিদ্যমান ছিল কিন্তু তাদের কোন হৃৎপিন্ডের রোগ বা মস্তিষ্কের স্ট্রোকের ঘটনা ছিল না। তবে তাদের ক্যারেটিভ ধমনী যা হৃৎপিন্ড থেকে রক্তকে মস্তিষ্কে নিয়ে যায়। পরীক্ষা করে দেখা যায় সেই ধ্বমনীর নালী সরু হয়ে গেছে। অর্থাৎ হৃৎপিন্ডের রোগ বা মস্তিষ্কের স্ট্রোকের জন্য ঝুকিপূর্ণ বিষয় না থাকলেও যদি তাদের মুখগহ্বরে ঐ নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যাকটেরিয়া থাকে (যা অনিয়মিত মিসওয়াক করলে হয়) তাহলে রক্তবাহী ধ্বমনী সরু হয়ে হার্ট অ্যাটাক বা মস্তিষ্কে স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে। তাই মিসওয়াক বা ব্রাশ নিয়মিত করলে এ ধরণের সমস্যা থেকে সহজেই রেহাই পাওয়া যায়। মিসওয়াক না করার কারণে যে হৃদরোগ সৃষ্টি হয় তা অর্জুন গাছের মিসওয়াক ব্যবহারে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।

আপনার আমন্ত্রণ রইল আমাদেরে এলাকায় মন্তব্য করা ও কিছু লিখার জন্য চলনবিল

জবাব: ধারাবাহিক : মিসওয়াকের মহাবিস্ময়কর রূপ (পর্ব-৩৪)

কোটি কোটি মোবারকবাদ।

জবাব: ধারাবাহিক : মিসওয়াকের মহাবিস্ময়কর রূপ (পর্ব-৩৪)

পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনার লেখা চাই।

আপনার আমন্ত্রণ রইল আমাদেরে এলাকায় মন্তব্য করা ও কিছু লিখার জন্য চলনবিল

Share

জবাব: ধারাবাহিক : মিসওয়াকের মহাবিস্ময়কর রূপ (পর্ব-৩৪)

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
**কওমি মাদরাসা শিক্ষা সংস্কারের সাত দফা শিক্ষানীতি**
বাংলাদেশস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোত(মাদরাসা,স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদিতে) পাঠদানের মাধ্যম কী হওয়া উচিত এ ব্যাপারে একটি যৌক্তিক পর্যালোচনা।এ ব্যাপারটা বেশির ভাগ কওমি মাদরাসায় অবজ্ঞা করা হয়।তাই এখানে কওমি মাদরাসা সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।
বাংলা ভাষা মাধ্যম করে কুরআন হাদীসের তরজমা (অনুবাদ) করা ফরয।উর্দু /ফার্সিতে তরজমা করলে ফরয যথাযথ আদায় হয়না।
এ ব্যাপারে আল্লাহ ইরশাদ করেন:১.আমি প্রত্যেক নবী রাসূলকে স্বজাতির ভাষা দিয়েই প্রেরণ করেছি,যাতে তিনি তাদেরকে (তার কওমকে) স্পষ্টরূপে (আল্লাহ প্রদত্ত বিধানসমূহ) বর্ণনা করতে পারেন।আল-কুরআন:সূরা ইবরাহীম:আয়াত:৪।
হাদীসের ভাষ্য হলো:২.যে মাতৃভাষা শিখে স্বজাতিকে দাওয়াত দেবে সে তার জাতির ধোঁকা ও মুনাফেকি (কপটতা) থেকে বাঁচতে পারবে।মনীষীদের উক্তি:৩.মাতৃভাষায় জ্ঞানার্জন করা ফরয।(হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.। আত তা'লীম)।৪.বাংলাদেশের গুমরাহির (পথভ্রষ্টতার) একমাত্র কারণ ওলামায়ে কিরাম তথা নায়েবে রাসূল মাতৃভাষায় অজ্ঞ।{মুফতি মুহাম্মাদ শফী রহ. (মাবাদিউন্নাহু)}।৫.বাংগালি ভাইদের জন্যে বাংলা ভাষায় তরজমা বা অনুবাদ করা আমি ওয়াজিব মনে করি।{মাওলানা হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ.(দ্বীনি শিক্ষার পথ ও পদ্ধতি)}।৬.আমরা উর্দু-ভাষীরা ভুলেও বাংলা-ভাষায় তরজমা করিনা,আপনারা কেন আমাদের উর্দুতে তরজমা করেন?এটা অজ্ঞতা ও পাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়।{মাওলানা মারগুবুর রহমান-প্রাক্তন  পরিচালক-দারুল উলূম দেওবন্দ,ভারত (সিরাতুন্নবী সা.)}।৭.চট্টগ্রামে বহু মনি-মুক্তা (বিজ্ঞ আলিম ) ছিলেন বটে,কিন্তু মাতৃভাষার অভাবে সব ধুলোয় পরিণত হয়েছে।{মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী রহ.(মাবাদিউন্নাহু)}।৮.বাংলাদেশের নেতৃত্ব রাখতে হলে বাংলা-ভাষায় অনুবাদ

Share

জবাব: ধারাবাহিক : মিসওয়াকের মহাবিস্ময়কর রূপ (পর্ব-৩৪)

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
**কওমি মাদরাসা শিক্ষা সংস্কারের সাত দফা শিক্ষানীতি**
বাংলাদেশস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোত(মাদরাসা,স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদিতে) পাঠদানের মাধ্যম কী হওয়া উচিত এ ব্যাপারে একটি যৌক্তিক পর্যালোচনা।এ ব্যাপারটা বেশির ভাগ কওমি মাদরাসায় অবজ্ঞা করা হয়।তাই এখানে কওমি মাদরাসা সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।
বাংলা ভাষা মাধ্যম করে কুরআন হাদীসের তরজমা (অনুবাদ) করা ফরয।উর্দু /ফার্সিতে তরজমা করলে ফরয যথাযথ আদায় হয়না।
এ ব্যাপারে আল্লাহ ইরশাদ করেন:১.আমি প্রত্যেক নবী রাসূলকে স্বজাতির ভাষা দিয়েই প্রেরণ করেছি,যাতে তিনি তাদেরকে (তার কওমকে) স্পষ্টরূপে (আল্লাহ প্রদত্ত বিধানসমূহ) বর্ণনা করতে পারেন।আল-কুরআন:সূরা ইবরাহীম:আয়াত:৪।
হাদীসের ভাষ্য হলো:২.যে মাতৃভাষা শিখে স্বজাতিকে দাওয়াত দেবে সে তার জাতির ধোঁকা ও মুনাফেকি (কপটতা) থেকে বাঁচতে পারবে।মনীষীদের উক্তি:৩.মাতৃভাষায় জ্ঞানার্জন করা ফরয।(হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.। আত তা'লীম)।৪.বাংলাদেশের গুমরাহির (পথভ্রষ্টতার) একমাত্র কারণ ওলামায়ে কিরাম তথা নায়েবে রাসূল মাতৃভাষায় অজ্ঞ।{মুফতি মুহাম্মাদ শফী রহ. (মাবাদিউন্নাহু)}।৫.বাংগালি ভাইদের জন্যে বাংলা ভাষায় তরজমা বা অনুবাদ করা আমি ওয়াজিব মনে করি।{মাওলানা হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ.(দ্বীনি শিক্ষার পথ ও পদ্ধতি)}।৬.আমরা উর্দু-ভাষীরা ভুলেও বাংলা-ভাষায় তরজমা করিনা,আপনারা কেন আমাদের উর্দুতে তরজমা করেন?এটা অজ্ঞতা ও পাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়।{মাওলানা মারগুবুর রহমান-প্রাক্তন  পরিচালক-দারুল উলূম দেওবন্দ,ভারত (সিরাতুন্নবী সা.)}।৭.চট্টগ্রামে বহু মনি-মুক্তা (বিজ্ঞ আলিম ) ছিলেন বটে,কিন্তু মাতৃভাষার অভাবে সব ধুলোয় পরিণত হয়েছে।{মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী রহ.(মাবাদিউন্নাহু)}।৮.বাংলাদেশের নেতৃত্ব রাখতে হলে বাংলা-ভাষায় অনুবাদ করতে হবে,উর্দু /ফার্সিতে অনুবাদ করা হলে ভাষার হাতিয়ারে সুসজ্জিত হওয়া দুষ্কর।যারা উর্দু/ফার্সিতে তরজমা করাকে বরকত মনে করে আমি তাদেরকে মূর্খ মনে করি।{আল্লামা আবুল হাসান আলী নাদভী রহ. (প্রাচ্যের উপহার)}।৯.আরবী(ফা'আলা-করেছে) ,ফার্সিতে(করদ আঁ এক মরদ) এবং উর্দুতে (কিয়া ওয়া এক মরদ) অনুবাদ করা বাংলাদেশি ছেলেদের জন্যে সবই অজানা,কাজেই এটা 'তাসহীলুল মাজহুল বিল মাজহুল' বা অজানাকে অজানার দ্ধারা অর্জন করা নয়কি?সরাসরি 'ফা'আলা'র অনুবাদ "একজন পুরুষ করেছে"  তরজমা করা ফরয।{খতীবে আযম মাওলানা সিদ্দীক আহমাদ রহ. (বাংলা ভাষার গুরুত্ব)}।১০.আমি আমার 'জামিয়া এমদাদিয়া' কিশোরগঞ্জে উর্দু-ফার্সি পরিহার করে বাংলা ভাষাকে পাঠ্যভুক্ত করায় বাংলাদেশি ওলামায়ে কিরাম আমার মাদরাসাকে কলেজ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।অথচ আমি ফরয আদায় করেছি তারা ফরয ত্যাগ করেছেন।{মাওলানা আতহার আলী রহ.(হায়াতে আতহার)}।১১.ভাই মাওলানা সিদ্দীক আহমাদ সাহেব! আমি স্বজাতির ভাষায় অজ্ঞ বলেই স্বজাতির যথাযথ খেদমত করতে পারিনি।সুতরাং আপনি বাংলা ভাষায় বিজ্ঞ বলে জাতীয় খেদমত 'অনুবাদ ও রচনা বিভাগ'কে আপনার হাতে অর্পণ করলাম।{মাওলানা মুফতি আযীযুল হক-প্রতিষ্ঠাতা-জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া(অনুবাদ ও রচনা বিভাগ পোস্টার অত্র জামিয়া)}।১২.কেন আমরা উর্দু-ফার্সিতে তরজমা করলাম,এতদিন বাংলা ভাষায় কেন তরজমা করলাম না? এতে যা ক্ষতি হয়েছে আগামিতে কেয়ামত পর্যন্ত তার ক্ষতি পূরণ দিলেও পূর্ণ হবেনা।(আল্লামা সুলতান যওক সাহেব-প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক-জামিয়া দারুল মা'আরিফ আল ইসলামিয় চাঁদ্গাওঁ,চট্টগ্রাম।)
   আমার শ্রদ্ধেয় আলেম সমাজ ও মুসলিম ভাইগণ!কুরআন ও হাদীসের তরজমা মাতৃভাষা বাংলায় করা আবশ্যক (ফরয)।উর্দু-ফার্সিতে তরজমা করা পরিহার করুন।যেমন:পৃথিবীর চার হাজার ভাষা-ভাষীরা নিজ নিজ ভাষায় কুরআন-হাদীসের তরজমা করা,একমাত্র বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম।এখানকার অধিকাংশ মাদরাসায় ভিনদেশি ভাষা উর্দু-ফার্সিতে তরজমা করে মাদরাসা শিক্ষাকে অজাতীয় শিক্ষায় পরিণত করা হয়েছে।বাংলা ভাষায় তরজমা না করে আজ আমরা ভাষার অস্ত্র হারিয়ে ফেলেছি।শুধু তাই নয় মাতৃভাষার জ্ঞান না থাকার কারণে এদেশের নেতৃত্বও হারিয়ে ফেলেছি,রাষ্ট্রীয় ভাষা বাংলা।কেয়ামত পর্যন্ত এর খেসারত দেয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব হবেনা।সুতরাং বাংলা ভাষায় কুরআন-হাদীসের তরজমা যখন ফরয হলো ১৪ বছরের পাঠ্যজীবনে বাংলায় তরজমা করা হোক।উর্দু-ফার্সি বা অন্য কোনো ভাষার প্রয়োজন হলে দাওরায়ে হাদীসের পর শর্ট কোর্স করা হোক।আলেমদের খেদমতে আমার সবিনয় অনুরোধ,আপনারা কুরআন-হাদীসের অমূল্য রত্নকে বাংলা ভাষার মাধ্যমে তরজমা করে ছাত্র/ছাত্রীদের শিক্ষা দিন এবং উর্দু-ফার্সিতে তরজমা করা পরিহার করুন।ইনশা'আল্লাহ দেখবেন,সমাজে,দেশে,দশে এমনকি রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও আলেমদের নেতৃত্বের পতাকা পত্ পত্ করে উড়বে।
                                                                               বিনীত
                                                                    আবদুল মালেক হালীম
                                       মহাপরিচালক-জামিয়া আরবিয়া হাইলধর (বালক-বালিকা) মাদরাসা
                                                                      আনোয়ারা,চট্টগ্রাম।
আল্লাহ আমাদের বিষয়টি সঠিক ও নিরপেক্ষভাবে বুঝার তাওফীক দান করুন।আমীন...   বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
**কওমি মাদরাসা শিক্ষা সংস্কারের সাত দফা শিক্ষানীতি**
বাংলাদেশস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোত(মাদরাসা,স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদিতে) পাঠদানের মাধ্যম কী হওয়া উচিত এ ব্যাপারে একটি যৌক্তিক পর্যালোচনা।এ ব্যাপারটা বেশির ভাগ কওমি মাদরাসায় অবজ্ঞা করা হয়।তাই এখানে কওমি মাদরাসা সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।
বাংলা ভাষা মাধ্যম করে কুরআন হাদীসের তরজমা (অনুবাদ) করা ফরয।উর্দু /ফার্সিতে তরজমা করলে ফরয যথাযথ আদায় হয়না।
এ ব্যাপারে আল্লাহ ইরশাদ করেন:১.আমি প্রত্যেক নবী রাসূলকে স্বজাতির ভাষা দিয়েই প্রেরণ করেছি,যাতে তিনি তাদেরকে (তার কওমকে) স্পষ্টরূপে (আল্লাহ প্রদত্ত বিধানসমূহ) বর্ণনা করতে পারেন।আল-কুরআন:সূরা ইবরাহীম:আয়াত:৪।
হাদীসের ভাষ্য হলো:২.যে মাতৃভাষা শিখে স্বজাতিকে দাওয়াত দেবে সে তার জাতির ধোঁকা ও মুনাফেকি (কপটতা) থেকে বাঁচতে পারবে।মনীষীদের উক্তি:৩.মাতৃভাষায় জ্ঞানার্জন করা ফরয।(হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.। আত তা'লীম)।৪.বাংলাদেশের গুমরাহির (পথভ্রষ্টতার) একমাত্র কারণ ওলামায়ে কিরাম তথা নায়েবে রাসূল মাতৃভাষায় অজ্ঞ।{মুফতি মুহাম্মাদ শফী রহ. (মাবাদিউন্নাহু)}।৫.বাংগালি ভাইদের জন্যে বাংলা ভাষায় তরজমা বা অনুবাদ করা আমি ওয়াজিব মনে করি।{মাওলানা হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ.(দ্বীনি শিক্ষার পথ ও পদ্ধতি)}।৬.আমরা উর্দু-ভাষীরা ভুলেও বাংলা-ভাষায় তরজমা করিনা,আপনারা কেন আমাদের উর্দুতে তরজমা করেন?এটা অজ্ঞতা ও পাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়।{মাওলানা মারগুবুর রহমান-প্রাক্তন  পরিচালক-দারুল উলূম দেওবন্দ,ভারত (সিরাতুন্নবী সা.)}।৭.চট্টগ্রামে বহু মনি-মুক্তা (বিজ্ঞ আলিম ) ছিলেন বটে,কিন্তু মাতৃভাষার অভাবে সব ধুলোয় পরিণত হয়েছে।{মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী রহ.(মাবাদিউন্নাহু)}।৮.বাংলাদেশের নেতৃত্ব রাখতে হলে বাংলা-ভাষায় অনুবাদ করতে হবে,উর্দু /ফার্সিতে অনুবাদ করা হলে ভাষার হাতিয়ারে সুসজ্জিত হওয়া দুষ্কর।যারা উর্দু/ফার্সিতে তরজমা করাকে বরকত মনে করে আমি তাদেরকে মূর্খ মনে করি।{আল্লামা আবুল হাসান আলী নাদভী রহ. (প্রাচ্যের উপহার)}।৯.আরবী(ফা'আলা-করেছে) ,ফার্সিতে(করদ আঁ এক মরদ) এবং উর্দুতে (কিয়া ওয়া এক মরদ) অনুবাদ করা বাংলাদেশি ছেলেদের জন্যে সবই অজানা,কাজেই এটা 'তাসহীলুল মাজহুল বিল মাজহুল' বা অজানাকে অজানার দ্ধারা অর্জন করা নয়কি?সরাসরি 'ফা'আলা'র অনুবাদ "একজন পুরুষ করেছে"  তরজমা করা ফরয।{খতীবে আযম মাওলানা সিদ্দীক আহমাদ রহ. (বাংলা ভাষার গুরুত্ব)}।১০.আমি আমার 'জামিয়া এমদাদিয়া' কিশোরগঞ্জে উর্দু-ফার্সি পরিহার করে বাংলা ভাষাকে পাঠ্যভুক্ত করায় বাংলাদেশি ওলামায়ে কিরাম আমার মাদরাসাকে কলেজ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।অথচ আমি ফরয আদায় করেছি তারা ফরয ত্যাগ করেছেন।{মাওলানা আতহার আলী রহ.(হায়াতে আতহার)}।১১.ভাই মাওলানা সিদ্দীক আহমাদ সাহেব! আমি স্বজাতির ভাষায় অজ্ঞ বলেই স্বজাতির যথাযথ খেদমত করতে পারিনি।সুতরাং আপনি বাংলা ভাষায় বিজ্ঞ বলে জাতীয় খেদমত 'অনুবাদ ও রচনা বিভাগ'কে আপনার হাতে অর্পণ করলাম।{মাওলানা মুফতি আযীযুল হক-প্রতিষ্ঠাতা-জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া(অনুবাদ ও রচনা বিভাগ পোস্টার অত্র জামিয়া)}।১২.কেন আমরা উর্দু-ফার্সিতে তরজমা করলাম,এতদিন বাংলা ভাষায় কেন তরজমা করলাম না? এতে যা ক্ষতি হয়েছে আগামিতে কেয়ামত পর্যন্ত তার ক্ষতি পূরণ দিলেও পূর্ণ হবেনা।(আল্লামা সুলতান যওক সাহেব-প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক-জামিয়া দারুল মা'আরিফ আল ইসলামিয় চাঁদ্গাওঁ,চট্টগ্রাম।)
   আমার শ্রদ্ধেয় আলেম সমাজ ও মুসলিম ভাইগণ!কুরআন ও হাদীসের তরজমা মাতৃভাষা বাংলায় করা আবশ্যক (ফরয)।উর্দু-ফার্সিতে তরজমা করা পরিহার করুন।যেমন:পৃথিবীর চার হাজার ভাষা-ভাষীরা নিজ নিজ ভাষায় কুরআন-হাদীসের তরজমা করা,একমাত্র বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম।এখানকার অধিকাংশ মাদরাসায় ভিনদেশি ভাষা উর্দু-ফার্সিতে তরজমা করে মাদরাসা শিক্ষাকে অজাতীয় শিক্ষায় পরিণত করা হয়েছে।বাংলা ভাষায় তরজমা না করে আজ আমরা ভাষার অস্ত্র হারিয়ে ফেলেছি।শুধু তাই নয় মাতৃভাষার জ্ঞান না থাকার কারণে এদেশের নেতৃত্বও হারিয়ে ফেলেছি,রাষ্ট্রীয় ভাষা বাংলা।কেয়ামত পর্যন্ত এর খেসারত দেয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব হবেনা।সুতরাং বাংলা ভাষায় কুরআন-হাদীসের তরজমা যখন ফরয হলো ১৪ বছরের পাঠ্যজীবনে বাংলায় তরজমা করা হোক।উর্দু-ফার্সি বা অন্য কোনো ভাষার প্রয়োজন হলে দাওরায়ে হাদীসের পর শর্ট কোর্স করা হোক।আলেমদের খেদমতে আমার সবিনয় অনুরোধ,আপনারা কুরআন-হাদীসের অমূল্য রত্নকে বাংলা ভাষার মাধ্যমে তরজমা করে ছাত্র/ছাত্রীদের শিক্ষা দিন এবং উর্দু-ফার্সিতে তরজমা করা পরিহার করুন।ইনশা'আল্লাহ দেখবেন,সমাজে,দেশে,দশে এমনকি রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও আলেমদের নেতৃত্বের পতাকা পত্ পত্ করে উড়বে।
                                                                               বিনীত
                                                                    আবদুল মালেক হালীম
                                       মহাপরিচালক-জামিয়া আরবিয়া হাইলধর (বালক-বালিকা) মাদরাসা
                                                                      আনোয়ারা,চট্টগ্রাম।
আল্লাহ আমাদের বিষয়টি সঠিক ও নিরপেক্ষভাবে বুঝার তাওফীক দান করুন।আমীন...