Share

টপিক: হেকায়াতে ছাহাবা -দ্বিতীয় অধ্যায়-(পর্ব-০৪)

আগের পর্বগুলি
অতঃপর ওমর (রাঃ) গোছস করলেন এবং ছহীফা খানা হাতে নিয়ে পড়তে লাগলেন ।এতে সূরায়ে তোয়াহ্ লিখিত ছিল ,যখন এই আয়াত পর্যন্ত আসলঃ

অর্থঃ সত্যি ,সত্যিই আমি আল্লাহ্ !আমি ব্যতিত আর কোন মা'বুদ নাই ।সুতরাং তোমরা আমারই উপাসনা কর এবং আমার স্মরণের উদ্দেশ্যে নামাজ কাযেম কর ।

এই আয়াত পাঠ করতেই ওমর (রাঃ)এর মানসপটে এক অপরূপ ঝংকার অনুভূত হল ,তাঁর অবস্থার পরিবর্তন হল ।হঠাৎ তিনি বলে উঠলেন ,আমাকে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)এর নিকট নিয়ে ।
এই উক্তি শ্রবণ করা মাত্রই হযরত খাব্বাব (রাঃ) ঘরের কোণ হতে বের হয়ে আসলে এবং ওমর (রাঃ)কে উদ্দেশ্য করে বললেন ,হে ওমর !সুসংবাদ গ্রহণ করুন !গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে হুজুরে পাক (সাঃ) দোয়া করেছেন ,হে পরওয়ারদেগার !ওমর এবং আবু জেহেলের মধ্যে যাকে তুমি পছন্দ কর তাঁকে মুসলমান করে ইসলামের শক্তি বৃদ্ধি কর ।মনে হচ্ছে তোমার শানেই হুজুরে পাক (সাঃ)এর দোয়া কবুল হয়েছে ।
অতঃপর সকলে মিলে প্রিয় নবীজী (সাঃ)এর নিকট হাজির হন ।শুক্রবার সকালে ওমর (রাঃ)পবিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন । তাঁর ইসলাম গ্রহণের সাথে সাথেই কাফেরদের শক্তি সাহস ভেঙ্গে পটল তবুও মুসলমানদের সংখ্যা তখন পর্যন্ত খুব নগণ্যই ছিল । এই জন্য সারা আরবের কাফেরগণ চিন্তা ফিকির করতে লাগল যে ,কি করে ইসলাম ধর্মকে সমূলে নিপাত করা যায় ,তবে হযরত ওমর (রাঃ)এর ইসলাম গ্রহণের পর হতে মুসলমানেরা মক্কার মসজিদে নামাজ পড়তে আরম্ব করেছিলেন ।
হযরত আবদুল্লাহ্ বিন মাছউদ (রাঃ)বলেন ,হযরত ওমরের ইসলাম গ্রহণ মুসলমানদের জন্য এক বিরাট বিজয় ছিল ,তাঁর হিজরত মুসলমানদের জন্য সাহায্য আর তাঁর খেলাফত ছিল মুসলমানদের জন্য রহমত স্বরূপ ।

দেশান্তরী..

Share

জবাব: হেকায়াতে ছাহাবা -দ্বিতীয় অধ্যায়-(পর্ব-০৪)

চমত্কার !চমত্কার ।প্রতিদিন আপডেট দিন ।

ফোরামে আছি ।