টপিক: ধারাবাহিক : মিসওয়াকের মহাবিস্ময়কর রুপ (পর্ব ১৪)

মিসওয়াক কাকে দেয়া যাবে

আমাদের দেশে মিসওয়াক ব্যবহারের হিড়িক পরে রমজান মাসে। শুধু নিজে ব্যবহার করাই নয় অনেকে আবার অন্য রোযাদারের জন্য রাখেন এই আশায় যে, রোজা পালনকারী তার মিসওয়াক ব্যবহার করলে কিছু সওয়াব বা নেকী পাওয়া যাবে। অন্য এগারো মাস এমন প্রবণতা লক্ষ্য করা যায় না। একের অধিক লোকের মিসওয়াক প্রয়োজন হলে প্রথমে কাকে দিতে হবে সে সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।
হযরত ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমি নিদ্রা অবস্থায় দেখলাম, আমি একটি মিসওয়াক দিয়ে দাঁতন করছি। এমন সময় আমার নিকট দুজন লোক আসল, একজন অপরজন অপেক্ষা বড়। আমি তাদের মধ্যে ছোট জনকে মিসওয়াক দিতে গেলাম কিন্তু আমাকে বলা হল, বড়জনকে দিন। তদানুযায়ী আমি তাদের বড়জনকে দিলাম। (বোখারী, মিশকাত)।
হযরত আয়িশা (রাঃ) বলেন, একবার নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিসওয়াক করছিলেন, তখন সেখানে দুই ব্যক্তি উপস্থিত ছিল যাদের এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তি হতে বড়। তখন তাহার প্রতি মিসওয়াকের ফজিলত সম্পর্কে ওহী করা হল মিসওয়াক উহাদের বড়কে দিন। (আবু দাউদ, মিশকাত)।
উপরোক্ত দুটি হাদিস উলে¬খ করার পর বোধ হয় এ ব্যাপারে আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আপনার আমন্ত্রণ রইল আমাদেরে এলাকায় মন্তব্য করা ও কিছু লিখার জন্য চলনবিল

জবাব: ধারাবাহিক : মিসওয়াকের মহাবিস্ময়কর রুপ (পর্ব ১৪)

এই পর্বের লেখায় কোন মন্তব্য পাওয়া যায় নি।

আপনার আমন্ত্রণ রইল আমাদেরে এলাকায় মন্তব্য করা ও কিছু লিখার জন্য চলনবিল