টপিক: ধারাবাহিক : মিসওয়াকের মহাবিস্ময়কর রুপ (পর্ব ১৫)

মিসওয়াকের অবস্থানস্থল


মিসওয়াকের আলোচনা (বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোচনার পর) থেকে এ কথা পরিষ্কার হয়েছে বা হবে যে স্বাভাবিক জীবন প্রণালীতে মিসওয়াকের ভূমিকা অনেক। আর তাই ইহা অন্যান্য প্রয়োজনীয় বস্তুর মতো অতি নিকটে রাখতে হবে। একজন ছাত্র যেমন কাগজ, কলম, বই রাখে, একজন আদর্শ শিক্ষক যেমন ছাত্রদের পড়ানোর বই রাখেন, একজন রুগী যেমন ঔষধ পত্রাদি রাখেন, কৃষক যেমন কৃষি সরঞ্জামাদি রাখেন ইত্যাদি।
যায়িদ ইবনে খালিদ আল্ যুহনী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যদি আমি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে তাদেরকে প্রত্যেক নামাযের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।
আবু সালমা (রহঃ) বলেন, অতপর আমি যায়িদ (রাঃ) কে মসজিদে এমত অবস্থায় বসতে দেখেছি যে, মিসওয়াক ছিল তার কানের ঐ স্থানে যেখানে সাধারণত লেখকের কলম থাকে। অতপর যখনই তিনি নামাযের জন্য দাড়াতেন মিসওয়াক করে নিতেন। (আবু দাউদ, তিরমিযি, মিশকাত)।
হযরত কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতের বেলা ঘুমানোর উদ্দেশ্য বিছানায় গিয়ে তার ওজুর পানি, মিসওয়াক ও চিরুনী একপাশে রেখে দিতেন। অতপর মহান আল¬াহ যখন তাকে রাতের বেলা ঘুম থেকে জাগাতেন, তখন তিনি মিসওয়াক করতেন, ওজু করতেন এবং মাথায় চিরুনী করতেন। (আখলাকুন নবী সাঃ, ই. ফা. বা, হাদিস নং ৫০৭)।
হযরত আয়িশা সিদ্দিকা (রাঃ) বলেন, আমরা নবী করিম সাল¬াল¬াহু আলাইহি ওয়া সাল¬াম এর জন্য মিসওয়াক ও ওজুর পানির ব্যবস্থা করে রাখতাম রাত্রে যখন আল¬াহ পাকের ইচ্ছা হতো তিনি ঘুম থেকে উঠতেন। অতপর মিসওয়াক সহকারে ওজু করে নামায পড়তেন। (রিয়াদুস সালেহীন, মুসলিম, মিশকাত)।
সুতরাং বলা যায়, যেখানে মিসওয়াক রাখলে ভুলে যাবার কথা নয় সেখানে রাখতে হবে এবং পূর্বেই মিসওয়াক প্রস্তুত করে রাখতে হবে।

আপনার আমন্ত্রণ রইল আমাদেরে এলাকায় মন্তব্য করা ও কিছু লিখার জন্য চলনবিল

Share

জবাব: ধারাবাহিক : মিসওয়াকের মহাবিস্ময়কর রুপ (পর্ব ১৫)

চমত্কার শেয়ার ।চালিয়ে যান ।

দেশান্তরী..