Share

টপিক: হেকায়াতে ছাহাবা -প্রথম অধ্যায়-(পর্ব-০২)

গত পর্ব পড়ুন
[এই পর্ব থেকে আপনাদের বুঝবার তাগিদে লেখাটি চলিত ভাষায় পরিবর্তন করে দেয়া হবে]
হযরত জিব্রাঈল (আঃ)হাজির হয়ে
আরজ করলেন ,আল্লাহ্ পাক তায়েফবাসীদের ধৃষ্টান্তমূলক যাবতীয় আচরণ ও দূর্ব্যবহার লক্ষ করেছেন ।এবং পাহাড় সমূহের খেদমত যার উপর ন্যাস্ত এমন এক জবরদ্স্ত ফেরেশতা আপনার কাছে পাঠিয়েছেন ।আপনি তাহাকে যা বলিবেন সে (উক্ত ফেরেশতা)তাই ই করবে ।অতঃপর  উক্ত ফেরেশতা হুজুর (সাঃ)কে সালাম করে আরজ করলেন ,আমাকে যা ইচ্ছা তা আদেশ করতে পারেন ।যদি আপনার নির্দেশ পাই তবে তায়েফের উভয় প্বার্শের পাহাড়কে এমনভাবে মিলিয়ে দেব যেন সকলেই তার মাঝে নিষ্পেষিত হয়ে যায় ।অথবা আপনার ইচ্ছানুসারে অন্য শাস্তিরও ব্যবস্থা করতে আজ্ঞা করতে পারেন ।কিন্তু দয়ার সাগর রহমাতুল্লিল আলাভীন (সাঃ) উত্তর করলেন ,আমি আল্লাহ্ র দরবারে এই আশাই পোষণ করি যে ,যদি তারা পবিত্র ইসলাম গ্রহণ নাও করে তবুও তাদের বংশধরদের মধ্যে এমন লোকে জন্ম হবে যারা ইসলামের ছায়া তলে আশ্রয় গ্রহণ করে একমাত্র মহান আল্লাহ্ পাকের এবাদত বন্দেগী করবে ।
ফায়েদাঃএই হইল সেই হুজুরে পাক (সাঃ)এর পবিত্র আখলাক ও দয়া মায়া এবং ক্ষমা শীলতার একটি ক্ষুদ্র নমুনা ।
কিন্তু আমরা যার তাঁর উম্মত বলে দম্ভ করে বেড়িয়ে থাকি অথচ কেউ আমাদের প্রতি ছোট্ট একটা অত্যাচার করলে আমরা এর চেয়ে বড় কোন অত্যার তাকে না করে ছেড়ে দেইনা ।
হযরত আনাছ বিন নজর (রাঃ) এর শাহাদাত
হযরত আনাছ বিন নজর (রাঃ) একজন বুজর্গ ছাহাবী ছিলেন ।যিনি বদরের যুদ্ধ যোগ দিতে পারেননি তাই সর্বদা এই বলে অনুতাপ করতেন যে ,আফছোস !আমি ইসলাভের সর্ব প্রথম আজীমুশশান জিহাদে শরীক হতে পারলাম না ।তাই তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে , আবার কোন যুদ্ধের সুযোগ আসলে প্রাণ ভরে জিহাদ করব ।
চলবে ...

দেশান্তরী..

জবাব: হেকায়াতে ছাহাবা -প্রথম অধ্যায়-(পর্ব-০২)

চমত্কার শেয়ার ।এভাবেই আলোর নিশান পরিপূর্ন হবে ইসলামী সকল কিছুর এক জ্ঞানের ভান্ডার হিসেবে ।আল্লাহ্ চাহেতু একদিন আমার ,আপনার তথা আলোর নিশানের সকল সদস্যদের এই আশা একদিন পূর্ন হবেই ।

ফোরামে আছি ।