(২ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো সামাজিক ভাবনা ও গবেষণা (প্রশ্ন ও উত্তর))

জাবেদ ভুঁইয়া wrote:

সেই লোক খোঁজে পাওয়া ভার sad

আসলেই। এখনকার যুগে সর্বেসর্বা মুসলিম নেই বললেই চলে।

(২ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো ছড়া-কবিতা)

কবিতা টি ভাল হয়েছে ভাই big grin
বাংলিশ try করলাম big grin

(১৭৩ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো বিবিধ)

মোঃ মাহমুদুর রহমান সুজয় wrote:

যদি সবার সহযোগীতা পাই তাহলে আবার নিয়মিত হবার ইচ্ছা আছে ।

আপনাকে আনেকদিন পর ফোরামে দেখে অনেক ভাল লাগছে ভাই। ফোরামতো এখন প্রায় মরুভূমি।

(৩ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো নোটিশ বোর্ড)

আবুল বাশার আল কলি wrote:

আসি আসি করে ও আসা অনেক কঠিন হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পাবার পর থেকে যেন বুড়ো হয়ে যাচ্ছি। তবে খুব শীঘ্রই ফিরে আসব ইনশা আল্লহ। দোয়া করবেন সবাই।

দোয়া রইল ভাই। ফোরাম একেবারে বিরনভূমি।

(১ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো ইসলামিক বই)

আপনাকে আলোর জগতে স্বাগতম । আশা করি আমাদের সাথে নিয়মিত হবেন।

(১ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো হাদিসের আলো)

মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, ‘লাজুক এবং অহংকারী ব্যক্তি জ্ঞান অর্জন করতে পারে না। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, ‘আনসারী মহিলারাই উত্তম। লজ্জা তাদেরকে ইসলামী জ্ঞান অন্বেষণ থেকে ফিরিয়ে রাখতে পারেনি।
উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উম্মু সুলায়ম (রাঃ) এসে বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ হক কথা প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। মহিলাদের স্বপ্নদোষ হলে কি গোসল করতে হবে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘হ্যাঁ, যখন সে বীর্য দেখতে পাবে।’ তখন উম্মু সালামা (লজ্জায়) তার মুখ ঢেকে নিয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! মহিলাদেরও স্বপ্নদোষ হয় কি?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার ডান হাতে মাটি পড়ুক! ( তা না হলে) তাদের সন্তান তাদের আকৃতি পায় কীভাবে?
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
(বুখারী ২৮২, ৩৩২৮, ৬০৯১, ৬১২১; মুসলিম ৩/৭, হাঃ ৩১৩, আহমাদ ২৬৬৭৫) (আঃপ্রঃ ১২৭, ইফাঃ ১৩২)

(০ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো নবী ও রাসূলগণ)

আজ পবিত্র
ঈদে মিলাদুন্নবী
মঙ্গলবার ১২
রবিউল
আউয়াল পবিত্র
ঈদে মিলাদুন্নবী

প্রায় সাড়ে ১৪০০
বছর
আগে জাহেলিয়াত
যুগে আরবদের
আলোর
পথে ফেরাতে এই
দিনে জন্মগ্রহন
করেন হযরত
মুহাম্মদ
(সাঃ)।

(৩ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো নোটিশ বোর্ড)

আশা করি খুব শীঘ্রই ফিরে আসবেন ।

(২ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো উপন্যাস)

খুবই ভাল হচ্ছে জাবেদ ভাই। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম ।

১০

(২ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো উপন্যাস)

খুবই ভাল হচ্ছে জাবেদ ভাই। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম ।

১১

(১৭৩ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো বিবিধ)

অনেকদিন পরে ফোরামে এলাম । কেমন আছেন সবাই ??

১২

(০ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো কোরআনের আলো)

http://bdmobi.com/Islam/get/load/The%20 … aqarah.mp3"" />http://bdmobi.com/Islam/get/load/The%20 … aqarah.mp3" type="application/x-shockwave-flash" pluginspage= "http://www.macromedia.com/go/getflashplayer"/>

১৩

(২ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো কোরআনের আলো)

ডাউনলোড করুন

১ম থেকে ৩য় খন্ড

৪র্থ থেকে ৭ম খন্ড

৮ম থেকে ১১শ খন্ড

১২শ খন্ড

১৩শ খন্ড

১৪শ খন্ড

১৫শ খন্ড

১৬শ খন্ড

১৭শ খন্ড

১৮শ খন্ড

১৪

(০ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো কম্পিউটার বিষয়ক)

আমাদের লাইফস্টাইল এখন আর ৫ বছর আগের লাইফস্টাইলের মত নেই। এখন অনেকে কম্পিউটারে ইন্টারেনেট সংযোগ না থাকলে কম্পিউটার ব্যবহার করে না। এই প্রভাবটি স্মার্টফোনেও দেখা দিচ্ছে। এখন সবার কাছে একটি প্রশ্ন করা যায়, ইন্টারনেট আগে না কম্পিউটার আগে? ঠিক ডিম আগে না মুরগি আগের মত।

বর্তমান বিশ্বে সচেতন নাগরিকরা সর্বদা প্রযুক্তির সাথে থাকতে পছন্দ করে। তাই তাদের চাহিদা হচ্ছে ইন্টারনেট সমৃদ্ধ গাড়ি। এই প্রযুক্তিটি আগে ছিল, কিন্তু ব্যবহারকারীদের অভিযোগ হচ্ছে এই সফটওয়্যারগুলো আপডেট করা অনেক কষ্টসাধ্য। মানুষ হঠাৎ করে গাড়ির মাধ্যমে একটি জায়গায় যেতেই পারে, যদি সেই জায়গাটি তার পূর্বপরিচিত না হয়, তাহলে তাকে অনেক কষ্ট করতে হবে জায়গাটিতে পৌছাতে। অথছ গাড়িটিতে যদি জিপিএস সিস্টেম চালু থাকে তাহলে গাড়ির চালকের কোন কষ্টই হবে না।

তবে আশার সংবাদ হচ্ছে আমরা ২০১৫ সালের মধ্যে হয়তবা ইন্টারনেট সমৃদ্ধ গাড়ি পেতে যাচ্ছি। জিএম এর পক্ষ থেকে জানা গেছে,২০১৪ এর মাঝামাঝি আমেরিকার গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেট সমৃদ্ধ গাড়ি বাজারে ছাড়তে পারে। এই গাড়িগুলো আপনার মোবাইলের সাথেও সিঙ্ক করা যাবে বলেও আশা করা যাচ্ছে।

এই দশকের শেষের দিকে আশা করা যাচ্ছে ৪০ শতাংশ গাড়ি ইন্টারনেট সমৃদ্ধ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিশ্বের নামকরা সব গাড়ির প্রতিষ্ঠানগুলো ফোর জি সমৃদ্ধ মোবাইল ব্রডব্যান্ডের সাথে সংযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারেনেট সমৃদ্ধ গাড়ি বের করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্রঃ টাইমস অফ ইন্ডিয়া

১৫

(১১ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো গল্প)

মডু নোটঃ এরকম টপিকআরেকটি থাকায় টপিক বন্ধ করা হল ।

১৬

(১৭৩ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো বিবিধ)

ফোরামে বেশ কিছু নতুন ক্যাটাগড়ি দেখলাম !
ভালোই লাগল ।তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে ।ফোরামের প্রধান উপজিব্য বিষয় যেন হয়ঃ ইসলাম !

১৭

(০ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো বিবিধ)

মোঃ জিল্লুর রহমান ছিলেন দেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি এবং এই পদে ষোড়শ ব্যক্তি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানের পর তিনিই প্রথম রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় মারা যান।
বাংলাদেশের এই পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব যারাপালন করেছেন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ থেকে ১১ জানুয়ারি ১৯৭২।
সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত)- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ থেকে ৯ জানুয়ারি ১৯৭২।
আবু সাইদ চৌধুরী- ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ থেকে ২৩ ডিসেম্বর ১৯৭৩।
মোহাম্মদ উল্লাহ- ২৪ ডিসেম্বর ১৯৭৩ থেকে ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ থেকে ১৪ অগাস্ট ১৯৭৫।
খন্দকার মোশতাক আহমেদ- ১৫ অগাস্ট ১৯৭৫ থেকে ৬ নভেম্বর ১৯৭৫।
এস এম সায়েম- ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ থেকে ২০ এপ্রিল ১৯৭৬।
জিয়াউর রহমান- ২১ এপ্রিল ১৯৭৬ থেকে ২৯ মে ১৯৮১।
আবদুস সাত্তার (ভারপ্রাপ্ত)- ৩০ মে ১৯৮১ থেকে ১৯ নভেম্বর ১৯৮১।
আবদুস সাত্তার- ২০ নভেম্বর ১৯৮১ থেকে ২৩ মার্চ ১৯৮২।
এ এফ এম আহসান উদ্দিন চৌধুরী- ২৭ মার্চ ১৯৮২ থেকে ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৩।
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ- ১১ ডিসেম্বর ১৯৮৩ থেকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০।
সাহাবুদ্দিন আহাম্মদ (অস্থায়ী)- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ থেকে ৯ অক্টোবর ১৯৯১।
আবদুর রহমান বিশ্বাস- ৯ অক্টোবর ১৯৯১ থেকে ৯ অক্টোবর ১৯৯৬।
সাহাবুদ্দিন আহাম্মদ- ৯ অক্টোবর ১৯৯৬ থেকে ১৪ নভেম্বর ২০০১।
এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী- ১৪ নভেম্বর ২০০১ থেকে ২১ জুন ২০০২।
মুহাম্মদ জমিরউদ্দিন সরকার (দায়িত্বপ্রাপ্ত )-২১ জুন ২০০২ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর ২০০২।
অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ- ৬ সেপ্টেম্বর ২০০২ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
মো. জিল্লুর রহমান ১২ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ থেকে ২০ মার্চ ২০১৩।

১৮

(৩ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো গল্প)

অসাধারন হয়েছে ভাই ।আরও চাই !

দুঃখজনক ব্যপার !

২০

(২ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো দো'আ)

শিরোনাম মনে হয় আল্প কষ্টে অনেক নেকি  এর বদলে অল্প কষ্টে অনেক নেকি
হবে ।

২১

(৩ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো পরিচিত হোন)

স্বাগতম ইউসুফ ভাই !বেশি বেশি লেখা চাই আপনার ।

২২

(১ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো সামাজিক ভাবনা ও গবেষণা (প্রশ্ন ও উত্তর))

চমত্কার লিখেছেন ভাই ।পরের পর্ব দ্রুত চাই !

২৩

(৩ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো গল্প)

চমত্কার লেখা ভাই ।পড়ে খুব ভাল লাগল !

২৪

(২ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো বিবিধ)

ফেসবুক ভাল্লাগেনা ! এখনও একাউন্ট খোলেনি ।

২৫

(১ জবাব দেয়া হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছিলো বিবিধ)

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল যা শয়তানের ত্রিভূজ নামেও পরিচিত, আটলান্টিক মহাসাগরের একটি বিশেষ অঞ্চল, যেখান বেশ কিছু জাহাজ ও উড়োজাহাজ রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হওয়ায় কথা বলা হয়। অনেকে মনে করেন ঐ সকল অন্তর্ধানের কারণ নিছক দূর্ঘটনা, যার কারণ হতে পারে প্রাকৃতিক দূর্যোগ অথবা চালকের অসাবধানতা। আবার চলতি উপকথা অনুসারে এসবের পেছনে দায়ী হল কোন অতিপ্রকৃতিক কোন শক্তি বা ভিনগ্রহের কোন প্রাণীর উপস্থিতি। [১] তবে এ বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে যে , যেসব দূর্ঘটনার উপর ভিত্তি করে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলকে চিহ্নিত করা হয়েছে তার বেশ কিছু ভুল, কিছু লেখক দ্বারা অতিরঞ্জিত হয়েছে এমনকি কিছু দূর্ঘটনার সাথে অন্যান্য অঞ্চলের দূর্ঘটনার কোনই পার্থক্য নেই।
http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/8/8f/Bermudan_kolmio.jpg/190px-Bermudan_kolmio.jpg
ত্রিভূজের বিস্তৃতি

বিভিন্ন লেখকের বর্ণনায় বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের বিস্তৃতিতে ভিন্নতা রয়েছে।

এই ত্রিভূজের উপর দিয়ে মেক্সিকো উপসাগর থেকে উষ্ণ সমুদ্র স্রোত বয়ে গেছে। এই তীব্র গতির স্রোতই মূলত অধিকাংশ অন্তর্ধানের কারণ। এখানকার আবহাওয়া এমন যে হঠাৎ করে ঝড় ওঠে আবার থেমে যায়, গ্রীষ্মে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। বিংশ শতাব্দীতে টেলিযোগাযোগ, রাডার ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি পৌঁছানোর আগে এমন অঞ্চলে জাহাজডুবি খুব স্বাভাবিক একটি ঘটনা। এই অঞ্চল বিশ্বের ভারী বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলকারী পথগুলোর অন্যতম। জাহাজগুলো আমেরিকা, ইউরোপ ও ক্যারিবিয়ান দ্বীপপূঞ্জে যাতায়াত করে। এছাড়া এটি হল প্রচুর প্রমোদতরীর বিচরণ ক্ষেত্র। এ অঞ্চলের আকাশপথে বিভিন্ন রুটে বাণিজ্যিক ও ব্যক্তিগত বিমান চলাচল করে। ত্রিভূজের বিস্তৃতির বর্ননায় বিভিন্ন লেখক বিভিন্ন মত দিয়েছেন। কেউ মনে করেন এর আকার ট্রাপিজয়েডের মত, যা ছড়িয়ে আছে স্ট্রেইটস অব ফ্লোরিডা, বাহামা এবং ক্যারিবিয়ান দ্বীপপূঞ্জ এবং ইশোর (Azores) পূর্বদিকের আটলান্টিক অঞ্চল জুড়ে, আবার কেউ কেউ এগুলোর সাথে মেক্সিকোর উপসাগরকেও যুক্ত করেন। তবে লিখিত বর্ণনায় যে সাধারণ অঞ্চলের ছবি ফুটে ওঠে তাতে রয়েছে ফ্লোরিডার আটলান্টিক উপকূল, সান হোয়ান (San Juan), পর্তু রিকো, মধ্য আটলান্টিকে বারমুডার দ্বীপপূঞ্জ এবং বাহামা ও ফ্লোরিডা স্ট্রেইটস এর দক্ষিণ সীমানা যেখান ঘটেছে অধিকাংশ দূর্ঘটনা। [৫]

ত্রিভূজ গল্পের ইতিহাস

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল বিষয়ে যারা লিখেছেন তাঁদের মতে ক্রিস্টোফার কলম্বাস সর্বপ্রথম এই ত্রিভূজ বিষয়ে অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা লিখেন। তিনি লিখেছিলেন যে তাঁর জাহাজের নবিকেরা এ অঞ্চলের দিগন্তে আলোর নাচানাচি, আকাশে ধোঁয়া দেখেছেন। এছাড়া তিনি এখানে কম্পাসের উল্টাপাল্টা দিক নির্দেশনার কথাও বর্ণনা করেছেন। তিনি ১১ই অক্টোবর, ১৪৯২ তে তাঁর লগ বুকে লিখেন – [৬]

    "The land was first seen by a sailor (Rodrigo de Triana), although the Admiral at ten o'clock that evening standing on the quarter-deck saw a light, but so small a body that he could not affirm it to be land; calling to Pero Gutiérrez, groom of the King's wardrobe, he told him he saw a light, and bid him look that way, which he did and saw it; he did the same to Rodrigo Sánchez of Segovia, whom the King and Queen had sent with the squadron as comptroller, but he was unable to see it from his situation. The Admiral again perceived it once or twice, appearing like the light of a wax candle moving up and down, which some thought an indication of land. But the Admiral held it for certain that land was near..."

বর্তমানে বিশেষজ্ঞরা প্রকৃত লগবুক পরীক্ষা করে যে মত দিয়েছেন তার সারমর্ম হল – নাবিকেরা যে আলো দেখেছেন তা হল স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ব্যবহৃত নৌকায় রান্নার কাজে ব্যবহৃত আগুন, আর কম্পাসে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছিল নক্ষত্রের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে। ১৯৫০ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর ই. ভি. ডব্লিউ. জোন্স( E.V.W. Jones) সর্বপ্রথম এ ত্রিভূজ নিয়ে খবরের কাগজে লিখেন।[৭] এর দু বছর পর ফেইট (Fate)ম্যাগাজিনে জর্জ এক্স. স্যান্ড( George X. Sand) “সী মিস্ট্রি এট আওয়ার ব্যাক ডোর” ("Sea Mystery At Our Back Door"winking শিরোনামে একটি ছোট প্রবন্ধ লিখেন।[৮], এ প্রবন্ধে তিনি ফ্লাইট নাইনটিন ( ইউ এস নেভী-র পাঁচটি ‘টি বি এম অ্যাভেন্জার’ বিমানের একটি দল, যা প্রশিক্ষণ মিশনে গিয়ে নিখোঁজ হয়) এর নিরুদ্দেশের কাহিনী বর্ণনা করেন এবং তিনিই প্রথম এই অপরিচিত ত্রিভূজাকার অঞ্চলের কথা সবার সামনে তুলে ধরেন।

১৯৬২ সালের এপ্রিল মাসে ফ্লাইট নাইনটিন নিয়ে আমেরিকান লিজান (American Legion) ম্যগাজিনে লিখা হয়। [৯] বলা হয়ে থাকে এই ফ্লাইটের দলপতি কে নাকি বলতে শোনা গিয়েছে- We don't know where we are, the water is green, no white। এর অর্থ হল "আমরা কোথায় আছি জানি না, সবুজ বর্ণের জল, কোথাও সাদা কিছু নেই"। এতেই প্রথম ফ্লাইট নাইনটিনকে কোন অতিপ্রাকৃতিক ঘটনার সাথে যুক্ত করা হয়। এরপর ভিনসেন্ট গডিস (Vincent Gaddis) “প্রাণঘাতী বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল”( The Deadly Bermuda Triangle) নামে আর এক কাহিনী ফাঁদেন ১৯৬৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে।[১০]এর উপর ভিত্তি করেই তিনি আরও বিস্তর বর্ণনা সহকারে লিখেন "ইনভিজিবল হরাইজন" (Invisible Horizons) মানে “অদৃশ্য দিগন্ত” নামের বই। [১১] আরও অনেক লেখকই নিজ নিজ মনের মাধুরী মিশিয়ে এ বিষয়ে বই লিখেন, তাঁরা হলেন জন ওয়ালেস স্পেন্সার, তিনি লিখেন "লিম্বো অফ দ্যা লস্ট" (Limbo of the Lost, 1969, repr. 1973), মানে “বিস্মৃত অন্তর্ধান” [১২]; চার্লস বার্লিটজ (Charles Berlitz) লিখেন “দি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল”(The Bermuda Triangle, 1974),[১৩]; রিচার্ড উইনার লিখেন "দ্যা ডেভিল'স ট্রায়াঙ্গেল" “শয়তানের ত্রিভূজ” (The Devil's Triangle, 1974) নামের বই, [১৪], এছাড়া আরও অনেকেই লিখেছেন। এরা সবাই ঘুরেফিরে একার্ট ( Eckert) বর্ণিত অতিপ্রাকৃতিক ঘটানাই বিভিন্ন স্বাদে উপস্থাপন করেছেন। [১৫]
কুসচ ( Kusche) এর ব্যাখ্যা

লরেন্স ডেভিড কুসচ হলেন “অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি”-র রিসার্চ লাইব্রেরিয়ান এবং “ দ্যা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল মিস্ট্রি: সলভড (১৯৭৫)” এর লেখক। তাঁর গবেষণায় তিনি চার্লস বার্লিটজ (Charles Berlitz) এর বর্ণনার সাথে প্রত্যক্ষ্যদর্শীদের বর্ণনার অসংগতি তুলে ধরেন। যেমন- যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমান থাকার পরেও বার্লিটজ (Charles Berlitz) বিখ্যাত ইয়টসম্যান ডোনাল্ড ক্রোহার্সট(Donald Crowhurt) এর অন্তর্ধানকে বর্ণনা করেছেন রহস্য হিসেবে। আরও একটি উদাহরণ হল- আটলান্টিকের এক বন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়ার তিন দিন পরে একটি আকরিকবাহী জাহাজের নিখোঁজ হবার কথা বার্লিটজ বর্ণনা করেছেন, আবার অন্য এক স্থানে একই জাহাজের কথা বর্ণনা করে বলেছেন সেটি নাকি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি বন্দর থেকে ছাড়ার পর নিখোঁজ হয়েছিল। এছাড়াও কুসচ দেখান যে বর্ণিত দূর্ঘটনার একটি বড় অংশই ঘটেছে কথিত ত্রিভূজের সীমানার বাইরে। কুসচ এর গবেষণা ছিল খু্বই সাধারন। তিনি শুধু লেখকদের বর্ণনায় বিভিন্ন দূর্ঘটনার তারিখ, সময় ইত্যাদি অনুযায়ী সে সময়ের খবরের কাগজ থেকে আবহাওয়ার খবর আর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো সংগ্রহ করেছেন যা গল্পে লেখকরা বলেননি। কুসচ –এর গবেষণায় যা পাওয়া যায় তা হল-

    বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে যে পরিমাণ জাহাজ ও উড়োজাহাজ নিখোঁজ হওয়ায় কথা বলা হয় তার পরিমাণ বিশ্বের অন্যান সমুদ্রের তুলনায় বেশি নয়।

    এ অঞ্চলে গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঝড় (tropical storms) নিয়মিত আঘাত হানে, যা জাহাজ ও উড়োজাহাজ নিখোঁজ হওয়ার অন্যতম কারণ। কিন্তু বার্লিটজ বা অন্য লেখকেরা এধরনের ঝড়ের কথা অনেকাংশেই এড়িয়ে গিয়েছেন।

    অনেক ঘটনার বর্ণনাতেই লেখকেরা কল্পনার রং চড়িয়েছেন। আবার কোন নৌকা নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে দেরিতে বন্দরে ভিড়লে তাকে নিখোঁজ বলে‌ প্রচার করা হয়েছে।

    আবার কখনোই ঘটেনি এমন অনেক ঘটনার কথা লেখকেরা বরেছেন। যেমন- ১৯৩৭ সালে ফ্লোরিডার ডেটোনা সমুদ্রতীরে( Daytona Beach) একটি বিমান দূর্ঘটনার কথা বলা হয়, কিন্তু সেসময়ের খবরের কাগজ থেকে এ বিষয়ে কোন তথ্যই পাওয়া যায়নি।

সুতরাং কুসচ –এর গবেষণার উপসংহারে বলা যায়- লেখকরা অজ্ঞতার কারণে অথবা ইচ্ছাকৃত ভাবে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নিয়ে বানোয়াট রহস্য তৈরি করেছেন।[১৬] §Epilogue, p. 277
অন্যদের প্রতিক্রিয়া

মেরিন বীমা কোম্পানী “লয়েড'স অব লন্ডন”(Lloyd's of London) দেখেছে যে , এই ত্রিভূজে অন্য সমুদ্রের চেয়ে উল্লেখ্য করবার মত ভয়ংকর কিছু নেই। তাই তারা এই অঞ্চল দিয়ে গমনকারী কোন জাহাজের উপর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মাশুল আদায় করে না। যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড লেখকদের বর্ণনার উপর ব্যাপক অনুসন্ধানের পর অনুমোদন করেছে এই অঞ্চলে অস্বাভাবিক কিছু নেই। [১৭] উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- ১৯৭২ সালে ভি.এ. ফগ (V.A. Fogg) নামের একটি ট্যাঙ্কার মেক্সিকো উপসাগরে বিষ্ফোরণেরর পর ডুবে যায়। কোস্ট গার্ডরা সে বিধ্বস্ত ট্যাঙ্কারের ছবি তোলেন এবং বেশ কিছু মৃত দেহও উদ্ধার করেন। [১৮], কিন্তু কতিপয় লেখক বলেছেন ঐ ট্যাঙ্কারের সব আরোহী অদৃশ্য হয়ে গেছে, শুধুমাত্র এর ক্যাপ্টেনকে তার কেবিনের টেবিলে হাতে কফির মগ ধরা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। [১২] টিভি সিরিয়াল NOVA / Horizon এর “ দ্যা কেস অব দ্যা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল (১৯৭৬-০৬-২৭)” পর্বে বলা হয়েছিল , যে সব দূর্ঘটনার কথা বলা হয় সেগুলো ভিত্তিহীন।"[১৯] সংশয়বাদী গবেষকগণ, যেমন আর্নেস্ট ট্যাভস ( Ernest Taves)[২০] এবং ব্যারি সিংগার( Barry Singer)[২১], দেখিয়েছেন যে , মিথ্যে রহস্য তৈরি করা বেশ লাভজনক। কারণ তখন ঐ মিথ্যে রহস্যের উপর ভিত্তি করে বই লিখে বা টিভিতে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করে প্রচুর অর্থ কামানো যায়।

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল টি কিছু স্থলভাগের উপর দিয়েও গিয়েছে যেমন পোর্তো রিকো ( Puerto Rico), বাহামা এমন কি বারমুডা নিজেই। কিন্তু এসব জায়গায় কোন স্থলযানের নিখোঁজ হবার খবর জানা যায়নি। এছাড়া এই ত্রিভূজের মধ্যে অবস্থিত ফ্রীপোর্ট শহরে বড়সড় জাহাজ কারখানা রয়েছে আর রয়েছে একটি বিমান বন্দর, যা কোন গোলযোগ ছাড়াই বছরে ৫০,০০০ টি বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
প্রকৃতিক ঘটনার মাধ্যমে ব্যাখ্যা
মিথেন হাইড্রেটস
এখানে দেখানো হয়েছে বিশ্বের যেসব স্থানে গ্যাস হাইড্রেট যুক্ত পলি পাওয়া গিয়েছে অথবা আছে বলে অনুমান করা হয়,১৯৯৬।
Source: USGS
পশ্চিম আটলান্টিকের উপর দিয়ে উত্তর দিকে বয়ে চলা উপসাগরীয় স্রোতের ভূয়া ছবি (NASA)

কন্টিনেন্টাল সেলভে(continental shelve) জমে থাকা বিপুল পরিমাণ মিধেন হাইড্রেট অনেক জাহাজ ডোবার কারণ বলে দেখা গেছে। অস্ট্রেলিয়ায় পরীক্ষাগারের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বাতাসের বুদবুদ পানির ঘনত্ব কমিয়ে দেয়। তাই সাগরে যখন পর্যায়ক্রমিক মিথেন উদগীরন হয়, তখন পানির প্লবতা(কোন কিছুকে ভাসিয়ে রাখার ক্ষমতা) কমে । যদি এমন ঘটনা ঐ এলাকায় ঘটে থাকে তবে সতর্ক হবার আগেই কোন জাহাজ দ্রুত ডুবে যেতে পারে। [২২]

১৯৮১ সালে [“ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে”] একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে, যাতে বর্ণিত আছে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ উপকূলের বিপরীতে [ব্ল্যাক রিজ](Blake Ridge) এলাকায় মিধেন হাইড্রেট রয়েছে। [২৩] আবার ইউএসজিএস(ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে) এর ওয়েব পেজ থেকে জানা যায়, গত ১৫০০ বছরের মধ্যে ঐ এলাকায় তেমন হাইড্রেট গ্যাসের উদগীরন ঘটেনি। [২৪]
কম্পাসের ভুল দিক নির্দেশনা

কম্পাসের পাঠ নিয়ে বিভ্রান্তি অনেকাংশে এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের কাহিনীর সাথে জড়িত। এটা মনে রাখা প্রয়োজন যে কম্পাস থেকে চুম্বক মেরুর দূরত্বের উপর ভিত্তি করে এর দিক নির্দেশনায় বিচ্যূতি আসে। উদাহরন হিসেবে বলা যায়- যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র উইসকনসিন(Wisconsin) থেকে মেক্সিকোর উপসাগর(Gulf of Mexico) পর্যন্ত সরলরেখা বরাবর চৌম্বক উত্তর মেরু সঠিক ভাবে ভৌগোলিক উত্তর মেরু নির্দেশ করে। এই সাধারণ তথ্য যে কোন দক্ষ পথপ্রদর্শকের জানা থাকার কথা। কিন্তু সমস্যা হল সাধারণ মানুষকে নিয়ে, যারা এ বিষয়ে কিছুই জানে না। ঐ ত্রিভূজ এলাকা জুড়ে কম্পাসের এমন বিচ্যূতি তাদের কাছে রহস্যময় মনে হয়। কিন্তু এটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা।
হারিকেন

হারিকেন(Hurricane) হল শক্তিশালী ঝড়। ঐতিহাসিক ভাবেই জানা যায়- আটলান্টিক মহাসাগরে বিষুব রেখার কাছাকাছি অঞ্চলে শক্তিশালী হারিকেনের কারণে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানী ঘটেছে, আর ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি টাকার। রেকর্ড অনুসারে ১৫০২ সালে স্প্যানিশ নৌবহর “ফ্রান্সিসকো দ্য বোবাডিলা” (Francisco de Bobadilla) এমনি একটি বিধ্বংসী হারিকেনের কবলে পড়ে ডুবে যায়। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের কাহিনীর সাথে জড়িত অনেক ঘটনার জন্য এধরনের হারিকেনই দায়ী।
গলফ স্ট্রিম

গলফ স্ট্রিম হল মেক্সিকো উপসাগর থেকে স্ট্রেইটস অব ফ্লোরিডা(Straits of Florida) হয়ে উত্তর আটলান্টিকের দিকে প্রবাহিত উষ্ঞ সমুদ্রস্রোত। একে বলা যায় মহা সমুদ্রের মাঝে এক নদী। নদীর স্রোতের মত গলফ স্ট্রিম ভাসমান বস্তু কে স্রোতের দিকে ভাসিয়ে নিতে পারে। যেমনি ঘটেছিল ১৯৬৭ সালের ২২ ডিসেম্বর “ উইচক্রাফট” নামের একটি প্রমোদতরীতে। মিয়ামি তীর হতে এক মাইল দূরে এর ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিলে তার নাবিকরা তাদের অবস্থান কোস্ট গার্ডকে জানায়। কিন্তু কোস্ট গার্ডরা তাদেরকে ঐ নির্দিষ্ট স্থানে পায়নি।
দৈত্যাকার ঢেউ(Freak waves)

হঠাৎ করেই সমুদ্রে দৈত্যাকার ঢেউ সৃষ্টি হতে পারে, এমন কি শান্ত সমুদ্রেও এমন ঘটতে পারে। তবে একথা বিশ্বাস করার কোন কারণ নেই যে, বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে এমন ঢেউ নিয়মিত সৃষ্টি হয়।
মানবিক ভুল
মানব ঘটিত দূর্ঘটনা

অনেক জাহাজ এবং বিমান নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার তদন্তে দেখা গিয়েছে এর অধিকাংশই চালকের ভুলের কারণে দূর্ঘটনায় পতিত হয়েছে। মানুষের ভুল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা, আর এমনি ভুলের কারণে দূর্ঘটনা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলেও ঘটেতে পারে। যেমন কোস্ট গার্ড ১৯৭২ সালে ভি.এ. ফগ( V.A. Fogg)-এর নিখোঁজ হবার কারণ হিসেবে বেনজিন এর পরিত্যাক্ত অংশ অপসারনের জন্য দক্ষ শ্রমিকের অভাবকে দায়ী করেছে। সম্ভবত ব্যবসায়ী হার্ভি কোনভার( Harvey Conover) এর ইয়ট টি তাঁর অসাবধানতার কারণেই নিখোঁজ হয়। অনেক নিখোঁজের ঘটনারই উপসংহারে পৌঁছানো যায়নি, কারণ অনুসন্ধানের জন্য তাদের কোন ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
ইচ্ছাকৃত ভাবে যে সব ধ্বংসসাধিত হয়েছে

যুদ্ধের সময় অনেক জাহাজ শত্রু পক্ষের অতর্কিত আক্রমণে ডুবে গিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হয়। এ কারণেও জাহাজ নিখোঁজ হতে পারে। তবে বিশ্বযুদ্ধের সময় বেশ কিছু জাহাজ, যাদের মনে করা হয় এমনি কারণে ডুবেছে, তাদের উপর অনুসন্ধান করা হয়। তবে শত্রু পক্ষের নথিপত্র, নির্দেশনার লগ বই ইত্যাদি পরীক্ষা করে তেমন কিছু প্রমান করা যায়নি। যেমন- মনে করা হয় ১৯১৮ সালে ইউ এস এস সাইক্লপস( USS Cyclops) এবং ২য় বিশ্বযুদ্ধে এর সিস্টার শিপ প্রোটিয়াস(Proteu) এবং নিরিয়াস( Nereus) কে জার্মান ডুবোজাহাজ ডুবিয়ে দেয়। কিন্তু পরবর্তীতে জার্মান রেকর্ড থেকে তার সত্যতা প্রমান করা যায়নি।

আবার ধারণা করা হয় জলদস্যুদের আক্রমণে অনেক জাহাজ নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারে। সে সময়ে প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাংশে এবং ভারত মহাসাগরে মালবাহী জাহাজ চুরি খুব সাধারণ ঘটনা ছিল। মাদক চোরাচালানকারীরা সুবিধা মত জাহাজ, নৌকা, ইয়ট ইত্যাদি চুরি করত মাদক চোরাচালানের জন্য। ১৫৬০ থেকে ১৭৬০ পর্যন্ত ক্যারিবিয়ান অঞ্চল ছিল জলদস্যুদের আখড়া। কুখ্যাত জলদস্যু এডওয়ার্ড টিচ( Edward Teach (Blackbeard)) এবং জেন ল্যাফিট্টি(Jean Lafitte) ছিল ঐ অঞ্চলের বিভীষিকা। তবে শোনা যায় জেন ল্যাফিট্টি(Jean Lafitte)-ই নাকি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের শিকার হয়েছিল।

আর এক ধরনের দস্যুতার কথা শোনা যায়, যা পরিচলিত হত স্থল থেকে। এধরনের দস্যুরা সমুদ্র ধারে রাতে আলো জ্বালিয়ে জাহাজের নাবিকদের বিভ্রান্ত করত। নাবিকরা ঐ আলোকে বাতি ঘরের আলো মনে করে সেদিকে অগ্রসর হত। তখন জাহাজগুলি ডুবো পাহাড়ের সাথে সংঘর্ষে ডুবে যেত। আর তারপরে ডোবা জাহাজের মালপত্র তীরের দিকে ভেসে এলে দস্যুরা তা সংগ্রহ করত। হয়তো ডুবন্ত জাহাজে কোন নাবিক বেঁচে থাকলে দস্যুরা তাদেরকেও হত্যা করত।
আলোচিত তত্ত্ব
আলোচিত ঘটনা সমূহ
ফ্লাইট নাইনটিন (Flight 19)
মার্কিন বিমান বাহিনীর TBF Grumman Avenger flight যা দেখতে অনেকটা ফ্লাইট নাইনটিন এর মত, তাই অনেক লেখক এই ছবিকে ফ্লাইট নাইনটিন বলে চালিয়েছেন।(US Navy)
ইউ এস এস সাইক্লপস( USS Cyclops)
ডগলাস ডি সি-৩(Douglas DC-3)
এস এস মেরিন সালফার কুইন (SS Marine Sulphur Queen)
উইকিপিডিয়া থেকে