Share

টপিক: কয়েকটি হাদিস সংগ্রহ


আবূ হুরায়রা (রাঃ)
থেকে বর্ণিত,
নাবী (সাঃ) বলেছেন,
‘আল্লাহর কসম!
সে ব্যক্তি মু’মিন নয়।
আল্লাহর কসম!
সে ব্যক্তি মু’মিন নয়।
আল্লাহর কসম!
সে ব্যক্তি মু’মিন নয়।”
জিজ্ঞেস
করা হল, ‘কোন ব্যক্তি?
হে আল্লাহর
রাসূল!’ তিনি বললেন,
“যে লোকের
প্রতিবেশী তার অনিষ্ট
থেকে নিরাপদে থাকে না।” [সহীহ
বুখারী ৬০১৬;
মুসনাদে আহমাদ ১৫৯৩৫,
২৬৬২০]


আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্য হজ্ব সম্পন্ন করলো, এবং হজ্ব সম্পন্ন করার সময় কোন প্রকার অশ্লীল ও মন্দকাজ থেকে বিরত থাকলো, সে সদ্য ভূমিষ্ট শিশুর মত নিষ্পাপ হয়ে গেলো।”
[বুখারিঃ ৮৭৩]

হযরত উম্মে সালামা রা. বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, মুসলিম যখন কোনো মুসিবতে আক্রান্ত হয় এবং আল্লাহ তাকে যা বলতে বলেছেন তাই বলে, (অর্থাৎ)
اِنَّا ِللهِ وَاِنَّا اِلَيْهِ رَاجِعُوْنَ، اَللّهُمَّ اأْجُرْنِيْ فِيْ مُصِيْبَتِيْ وَاخْلُفْ لِيْ خَيْرًا مِنْهَا.
তখন আল্লাহ তাকে ঐ মুসিবতের উত্তম বদলা এবং আগের চেয়ে উত্তম বিকল্প দান করেন।

{সহীহ মুসলিম, হাদীস ৯১৮}

►ঘূমানোর পূর্বে অযু করা ইসলামের উপর মৃত্যুর কারণঃ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তুমি যখন বিছানায় আসার মনস’ করবে তখন নামাযের ন্যায় অযু করবে এবং নিম্নের দুআটি পাঠ করবে। যদি তুমি ঐ রাত্রিতে মৃত্যু বরণ কর তবে ইসলামের উপর মৃত্যু বরণ করবে। আর যদি সকালে উপনিত হও তবে ছোয়াব পাবে। এদুআটি সকল কিছুর শেষে পাঠ করবে।” (বুখারী ও মুসলিম)
اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ نَفْسِى إِلَيْكَ، وَوَجَّهْتُ وَجْهِى إِلَيْكَ، وَفَوَّضْتُ أَمْرِى إِلَيْكَ، وَأَلْجَأْتُ ظَهْرِى إِلَيْكَ، رَغْبَةً وَرَهْبَةً إِلَيْكَ، لاَ مَلْجَأَ وَلاَ مَنْجَا مِنْكَ إِلاَّ إِلَيْكَ، آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِى أَنْزَلْتَ، وَنَبِيِّكَ الَّذِى أَرْسَلْتَ.
উচ্চারণ:“আল্লাহুম্মা আসলামতু নাফসী ইলাইকা, ওয়া ওয়াজজাহতু ওয়াজহী ইলাইকা, ওয়া ফাওয়াযতু আমরী ইলাইকা, ওয়াল জা’তু যহরী ইলাইকা, রাগবাতান ওয়া রাহবাতান ইলাইকা, লা-মালজাআ ওয়ালা মানজাআ মিনকা ইল্লা ইলাইকা, আমানতু বিকিতাবিকাল্লাযি আনযালতা ওয়াবি নাবিয়্যিকাল্লাযি আরসালতা।”


প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু হুরায়রাহ রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি এসে রাসূল সঃ এর সমীপে আরয করল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কার প্রতি সবচেয়ে বেশী সৌজন্যমূলক আচরণ করব, আমার সহচর্যে কে আমার এ সদাচার পাওয়ার বেশী অধিকারী? তিনি বললেন, তোমার মা। লোকটি বলল, তারপর কে? হুজুর সঃ বললেন তোমার মা। লোকটি পুনরায় জিজ্ঞাসা করল, তারপর কে? তিনি বললেন, তোমার মা! লোকটি আবারো জিজ্ঞেস করল, তারপর কে? তিনি উত্তর দিলেন, তোমার পিতা।

অপর এক বর্ণনায় এসেছে, হুজুর সঃ বললেন, তোমার মা, অতঃপর তোমার মা, অতপর তোমার মা, তারপর তোমার পিতা, তারপর তোমার নিকট আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব।

(বুখারী ও মুসলিম)