টপিক: আসুন হাদিস শেয়ার করি

হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসঈদ রা. থেকে বর্ণিত। হুযুর সা. ইরশাদ করেছেন- কোন বান্দা হারাম পন্থায় সম্পদ উপার্জন করে তা থেকে দান-সদকা করলে তা আল্লাহর দরবারে কবুল হবেনা, আর তা থেকে ব্যয় করলে তাতে বরকতও হবে না। আর এই ধন-সম্পদ তার উত্তরাধীকারীদের জন্য রেখে গেলে তার জন্য দোযখের পূঁজি হবে। (মুসনাদে আহমাদ-হাদিস নং-৩৬৭২, মুসনাদুল বাজ্জার, হাদিস নং-২০২৬)
~~ আসুন হারাম থেকে বেঁচে থাকতে সচেষ্ট হই~~

ফোরামে আছি ।

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

সুফইয়ান ইবনে আবদুল্লাহ ছাকাফী [রাযি] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহ রাসূল! এমন একটি বিষয়ের কথা আমাকে বলুন যা আমি দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে পারি।
তিনি [রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম] বললেনঃ"তুমি বল, আমার রব হচ্ছেন একমাত্র আল্লাহ, তারপর এতে দৃঢ় হয়ে থেকো।" {সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং-২৪১৩}

ফোরামে আছি ।

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

“যখন নামাযের ইকামত প্রদান করা হয় তখন তাড়াহুড়া করে নামাযের দিকে আসবে না। বরং ধীর-স্থীর এবং প্রশান্তির সাথে হেঁটে হেঁটে আগমণ করবে। অতঃপর নামাযের যতটুকু অংশ পাবে তা আদায় করবে। আর যা ছুটে যাবে তা (ইমামের সালামের পর) পূর্ণ করে নিবে।”
(বুখারী ও মুসলিম)

ফোরামে আছি ।

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

রাসূলুল্লা হ (সাঃ ) বলেছেন- ইবলিস তার রবের সমীপে বলল,
“আপনার ইযযত ও জালালের কসম! আমি আদম সম্প্রদায়কেপথচ্যুত করতে থাকব, যে পর্যন্ততাদের প্রাণ থাকে।” আল্লাহ বললেন,
“আমার ইযযত ও জালালের কসম! তাদেরকে আমিমাফ করতেথাকব, যে পর্যন্ত তারা আমার কাছে মাফ চাইতে থাকবে।”

ফোরামে আছি ।

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

''যে ব্যক্তি যথারীতি নামায আদায় করবে, তা কিয়ামতের দিন তার জন্য মুক্তির ওসীলা , আলোকবর্তিকা,ও যুক্তিপ্রমাণ দাঁড় হবে। আর যে যথারীতি নামায আদায়না করবে , তার জন্য তা আলোকবর্তিকাও হবে না, যুক্তিপ্রমাণও হবে না এবংমুক্তির ওসীলাও হবে না । বরং সে কিয়ামতের দিন ফেরাউন, কারূন, হামান ও উবাই বিন খালফের সহযাত্রীহবে।'' [আহমদ। দারিমী ও মিশকাত]

ফোরামে আছি ।

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-“তোমরা স্বীয় ঘরকে কবর বানিয়োনা।(অর্থাৎ কবরের মত ইবাদতহীন করোনা) আর আমার কবরে উৎসব করোনা। তবে হ্যাঁ আমার উপর দরূদ পাঠ কর। নিশ্চয় তোমরা যেখানেইথাকনা কেন, তোমাদের দরূদ আমার নিকট পৌঁছে থাকে”। {সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-২০৪৪, কানযুল উম্মাল ফি সুনানিল আকওয়াল ওয়াল আফআল, হাদিস নং-৪১৫১২, শুয়াবুল ঈমান, হাদিস নং-৩৮৬৫}

ফোরামে আছি ।

Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

রাসূল (সা) বলেছেনঃ বেহেশ্‌ত হচ্ছে মায়েদের পায়ের নিচে। ( কানযুল উম্মালঃ ৪৫৪৩৯, মুনতাখাবে মিযানুল হিকমাহঃ ৬১৪ )

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শফিক (2012-January-04 09:25(am))

Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

হযরত আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ একদা জিজ্ঞেস করলেন-“তোমরা কি জান, প্রকৃত নিঃস্ব কে?” সাহাবারা উত্তরে বললেন-“আমাদের মাঝে নিঃস্ব ঐ ব্যক্তিকে বলা হয়, যার কোন টাকা-পয়সাবা সহায় সম্পত্তি নাই”। নবী কারীম সাঃ বললেন-“প্রকৃত নিঃস্ব ঐ ব্যক্তি, যে কিয়ামতের দিননামায, রোযা, যাকাত ইত্যাদি নিয়ে হাজির হবে। সাথে এটাও নিয়ে আসবে যে, কাউকে গালি দিয়েছে। কাউকেমিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। কারো মাল খেয়ে ফেলেছে। কাউকে হত্যা করেছে। কাউকেপ্রহার করেছে। তারপর তার পূণ্যগুলির কিছু একজনকে আর কিছু অন্যজনকে দেয়া হবে। যদি হকদারদের দাবী শেষ হওয়ার আগেই তার পূণ্যশেষ হয়ে যায়, তাহলে তাদের পাপ তাকে সোপর্দ করা হবে।অতঃপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
আল মু’জামুল আওসাত, হাদিস নং-২৭৭৮,
সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং-২৪১৮, ,
সহীহ মুসলিম, হাদিস নং-৬৭৪৪,
মুসনাদুস সাহাবা ফিল কুতুবিত তিসআ, হাদিস নং-৬২০

ফোরামে আছি ।

Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

আনাস ইবনে মালিক [রাযি] থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেছেনঃ"আদম সন্তানের বয়স বাড়ে কিন্তু তাতে দু'টো বিষয় জওয়ান হয়, জীবনের প্রত্যাশা এবং সম্পদের মোহ।" {সুনানে তিরমিযী-২৩৪২}

ফোরামে আছি ।

১০ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

আদী ইবনে হাতেম (রাঃ ) হতেবর্নিত। রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ
“দোযখের আগুন থেকে বাঁচ, যদি এক টুকরা খুরমা দান করেও হয়। আর তাও না পেলে একটি মিষ্টি কথার বিনিময়েহলেও।”
[বুখারি]

ফোরামে আছি ।

১১ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

কেয়ামতে সাত ধরনের ব্যক্তি আল্লাহর ছায়ায় আশ্রয় পাবে
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:“সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ্ তাঁর ছায়াতলে আশ্রয় দেবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়াই অবশিষ্ট থাকবে না। (তারা হলো: ১) ন্যায়পরায়ন শাসক, (২) যে যুবক আল্লাহর ইবাদাতের মধ্যে বড় হয়েছে,(৩) যে ব্যক্তি মসজিদ থেকে বেরিয়ে গেলেও তার অন্তর এর সাথে সম্পৃক্ত থাকে, (৪) এমন দু’জন লোক যারা আল্লাহর জন্য পরস্পরভালবাসা স্থাপন করেছে; এইসম্পর্কেই একত্র থাকে এবংবিচ্ছিন্ন হয়, (৫) এমন ব্যক্তি যাকে কোন অভিজাত পরিবারের সুন্দরী রূপসী নারী (খারাপ কাজে) আহ্বানকরেছে কিন্তু সে তাকে এই বলে প্রত্যাখ্যান করেছে; আমি আল্লাহকে ভয় করি, (৬) এমন ব্যক্তি যে এত গোপনেরদান-সদকা করেছে যে, তার ডান হাত যা দান করেছে তার বাম হাতও তা জানতে পারেনিযে, ডান হাত কি দান করেছে, (৭) যে ব্যক্তি নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করেছে এবংতার দু’চোখ বয়ে পানি পড়েছে।” [বুখারী: ৬৬০, মুসলিম: ১০৩১]

ফোরামে আছি ।

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

ভাল লাগল। সামনে চলতে থাকুক সাথে আছি।

আপনার আমন্ত্রণ রইল আমাদেরে এলাকায় মন্তব্য করা ও কিছু লিখার জন্য চলনবিল

১৩ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

সাঈদ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মানুষের সৌভাগ্যের লক্ষণ এই যে, আল্লাহ্‌ তা'আলার তার জন্য যা ফয়সালা করেছেন, তাতে সে সন্তুষ্ট থাকে; দুর্ভাগ্যের লক্ষণ এই যে,আল্লাহ্‌ তা'আলা তার জন্যযা ফয়সালা করে রেখেছেন, তাতে সে অসন্তুষ্ট হয় এবং স্বীয় মঙ্গলের জন্য প্রার্থনাও করে না, চেষ্টাও পরিত্যগ করে।
{সুনান তিরিমিযী, হাদিস নং-২১৫১, মুসতাদারেক হাকেমঃ১/ ৫১৮,মুসনাদে আহমাদঃ ৫/২৮০, সুনান ইবনে মাজাহ, হাদিস নং-৪০২২, মুসনাদ আবু ইয়ালাঃ২/৬০, মেরকাত শরহে মেশকাত, হাদিস নং-৫৩০৩,ফতহুল বারীঃ ১১/১৮৪}

ফোরামে আছি ।

১৪ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বোত্তম যে কুরআন শেখে এবং (অপরকে) শেখায়। সহীহ-বুখারী

ফোরামে আছি ।

১৫ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

রাসূল (সাঃ) এরশাদ করেন,"কেউ
হেদায়েতের দিকে আহবান
করলে যতজন তার অনুসরণ
করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের
অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের
সওয়াবে কোন কমতি হবেনা"---
[সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

১৬ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-আল্লাহ তাআলা আমার উম্মতের জন্য মদ ও জুয়াকে হারাম করেছেন।

{মুসনাদে আহমদ ২/১৬৫, হাদীস : ৬৫৪৭}

১৭ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

একবার হযরত আবু সায়ীদ খুদরী রা. হযরত আলী রা. কে জানাযা সংক্রান্ত বিষয় জিজ্ঞাসা করলেন। হযরত আলী রা. বললেন, আবু সায়ীদ, যখন আপনি আপনার মুসিলম ভাইয়ের জানাযার সাথে চলবেন তখন নিশ্চুপ থাকুন, এবং মনে মনে ভাবুন আপনার অবস্থাও তার মতো হয়েছে। সে ছিল আপনারই ভাই, যে আপনার সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত ছিল। আজ সে নিঃস্ব-বিপর্যস্ত হয়ে বিদায় নিয়েছে, নেক আমল ছাড়া আজ তার কোনো পুঁজি নেই।

{মুসনাদে বাযযার, হাদীস : ৮৩৯}

১৮ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

রাসুল (সাঃ) বলেছেন: “কোন মুসলিমের
জন্য বৈধ নয় যে, আরেক মুসলমানের
সাথে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন
রাখবে। তাদের অবস্থা যেন এমন
না হয় যে, দেখা সাক্ষাৎ হলে একজন
অন্য জনকে এড়িয়ে চলে। এ দুজনের
মাঝে ঐ ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ যে প্রথম
সালাম দিয়ে পুনরায় সম্পর্ক করবে।
[মুসলিম : ৬৬৯৭]

১৯ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) বলেন,
আকাশে মেঘ
দেখা দিলে বা ঝড়ো বাতাস
বইতে থাকলে আল্লাহর রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-
এর মুখমন্ডলে ভয়ের চিহ্ন ফুটে উঠত। আমি আরজ করলাম, ‘আল্লাহর রাসূল!
আকাশে মেঘ দেখলে মানুষ খুশি হয়
এবং বৃষ্টির আশা করে, কিন্তু আপনার
চেহারায় আমি চিন্তা ও ভয়ের ছাপ
লক্ষ করি।’ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আয়েশা! আমি কীভাবে জানব, এই
মেঘ বা বাতাস কোনো আযাব বহন
করে আনেনি? এক জাতির উপর
তো প্রচন্ড বাতাস দ্বারা আযাব
দেওয়া হয়েছে। তেমনি আরেক
জাতি আযাব দেখে বলেছিল- ﺎﻧﺮﻄﻤﻣ ﺽﺭﺎﻋ ﺍﺬﻫ

এই তো মেঘ আমাদের জন্য
বৃষ্টি বর্ষণ করবে!’

{সুনানে আবু দাউদ ২/৬৯৫}

ফোরামে আছি ।

২০ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ) বলেন, যখন কোন আদম সন্তান সিজদার আয়াত পাঠ করে এবং তারপর সিজদায় লুটিয়ে পড়ে, তখন শয়তান কাঁদতে কাঁদতে একপাশে সরে দাঁড়ায় এবং বলতে থাকেঃ ‘হায় আমার পোড়া কপাল! আদম সন্তানকে সিজদা করার নির্দেশ করা হলে সে সিজদা করল । ফলে তার জন্য জান্নাত । আর আমাকেও সিজদার নির্দেশ করা হয়েছিলো কিন্তু আমি অস্বীকার করলাম, তাই আমার জন্য জাহান্নাম।’
(মুসলিমঃ ১৫২)

দেশান্তরী..

২১ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

"কেয়ামতের দিন এক
ব্যক্তিকে আনা হবে।
এরপর
তাকে জাহান্নামে ফেলে দেওয়া হবে।
তখন আগুনে পুড়ে তার নাড়িভুড়ি বের
হয়ে যাবে। এ সময়
সে এমনভাবে ঘুরতে থাকবে,
যেমন গাধা তার চাকা নিয়ে তার
চারপাশে ঘুরতে থাকে। তখন
জাহান্নামবাসীরা তার
কাছে একত্রিত
হয়ে তাকে বলবে, হে অমুক!
আজকে তোমার এই
অবস্থা কেনো? তুমিনা আমাদের সৎ
কাজে
আদেশ
করতে আর অন্যায় কাজ হতে নিষেধ
করতে? সে বলবে, আমি তোমাদের
সৎকাজে আদেশ
করতাম বটে,
কিন্তু আমি তা করতাম না আর
আমি তোমাদেরকে অন্যায় কাজ
হতে নিষেধ
করতাম, অথচ আমি নিজেই তা করতাম।"
সহীহুল বুখারী, হাদীস নং ৩০৩৯?

দেশান্তরী..

২২ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক লোক মসজিদে সালাত পড়তে প্রবেশ করল, তখন রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদের এক কোণে বসে ছিলেন, তারপর লোকটি এসে রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে সালাম দিলে রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন তুমি যাও আবার সালাত আদায় কর। কেননা, তোমার সালাত হয়নি। সে আবার সালাত আদায় করল এবং সালাম ফিরালো, তারপর আবারো রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, তুমি আবার সালাত সালাত আদায় কর কারণ, তোমার সালাত হয়নি। তিন বারের সময় লোকটি বলল, আমাকে আপনি সালাত শিখিয়ে দিন। তখন রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, যখন সালাত পড়তে ইচ্ছা পোষণ কর, তখন প্রথমে ভালভাবে ওযু কর এবং ক্বিবলার দিকে মুখ কর, কোরানের যেখান থেকে সহজ হয় তিলাওয়াত কর, তারপর তুমি পরিপূর্ণ রুকু কর, রুকু হতে সোজা হয়ে দাঁড়াও, তার পর সেজদা কর, সেজদা হতে উঠে সম্পুর্ণ সোজা হয়ে বস, তারপর পরিপূর্ণভাবে সেজদা শেষ করে মাথা উঠাও এবং সোজা হয়ে দাঁড়াও, এভাবে তুমি তোমার সালাত সম্পন্ন কর।(বুখারী:৭১৫

দেশান্তরী..

২৩ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক লোক মসজিদে সালাত পড়তে প্রবেশ করল, তখন রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদের এক কোণে বসে ছিলেন, তারপর লোকটি এসে রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে সালাম দিলে রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন তুমি যাও আবার সালাত আদায় কর। কেননা, তোমার সালাত হয়নি। সে আবার সালাত আদায় করল এবং সালাম ফিরালো, তারপর আবারো রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, তুমি আবার সালাত সালাত আদায় কর কারণ, তোমার সালাত হয়নি। তিন বারের সময় লোকটি বলল, আমাকে আপনি সালাত শিখিয়ে দিন। তখন রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, যখন সালাত পড়তে ইচ্ছা পোষণ কর, তখন প্রথমে ভালভাবে ওযু কর এবং ক্বিবলার দিকে মুখ কর, কোরানের যেখান থেকে সহজ হয় তিলাওয়াত কর, তারপর তুমি পরিপূর্ণ রুকু কর, রুকু হতে সোজা হয়ে দাঁড়াও, তার পর সেজদা কর, সেজদা হতে উঠে সম্পুর্ণ সোজা হয়ে বস, তারপর পরিপূর্ণভাবে সেজদা শেষ করে মাথা উঠাও এবং সোজা হয়ে দাঁড়াও, এভাবে তুমি তোমার সালাত সম্পন্ন কর।(বুখারী:৭১৫

দেশান্তরী..

২৪ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ "
আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য (জান্নাতে) এমন সমস্ত নেয়ামত প্রস্তুত করে রেখেছি, যা কোন চোখ অবলোকন করে নি, কোন কান শোনে নি এবং কোন মানুষের চিন্তায় উদিত হয় নি।"

{বুখারী, হাদিস নং-৩২৪৪; মুসলিম, হাদিস নং-২৮২৪}

দেশান্তরী..

২৫ Share

জবাব: আসুন হাদিস শেয়ার করি

আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত । রাসুল (সাঃ) বলেনঃ আল্লাহ্ বলেছেন,

তোমারা সাহাবীগণের হুবহু অনুসরন
করবে, মনগড়া ইবাদত উদ্ভাবন করবে না। তোমাদের এই দায়িত্ব পালন
করে দেওয়া হয়েছে। দীন পালনের জন্য নতুন কোন পদ্ধতি উদ্ভাবনের কোন প্রয়োজন তোমাদের নেই; কারণ দীন শিক্ষা দেওয়া ও তা পালন করার পদ্ধতিসমূহ রাসূল (সাঃ) ও তাঁর
সাহাবীগণ পুরোপুরি আদায় করে গিয়েছেন।
তোমাদের দায়িত্ব হল হুবহু তাঁদের অনুকরন ও অনুসরন করা।

[বুখারী ও মুসলিম]

দেশান্তরী..