টপিক: হাদীস নিয়ে দ্বিমত

সকল ভাই এবং বোনেরা আমার সালাম নিবেন । আসা করি আল্লাহর রহমতে সকলে অনেক ভাল আছেন ।

আপনাদের সাথে হাদীস নিয়ে একটা গুরুত্তপূর্ণ বিষয় share করছি ।
হাদীস বলতে আমরা মূলত আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সhappy এর রেখে যাওয়া কথা বা বাণী-কেই বুঝি । আমরা যারা মুসলমান তাদের অনেকেই হাদীস নিয়ে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে যাই । অনেকেই অনেক হাদীস কে মন থেকে মেনে নিতে পারিনা । এমতবস্থায় আমাদের কী করনীয় ?

আসলে মহান আল্লাহ মানুষের প্রতি অনেক দয়াশীল বলেই মানুষ কে কুরআন এর মত এমন এক পবিত্র ধর্মগ্রন্থ দিয়েছেন যাতে  কিনা সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল সমসসা ও এর সমাধান এবং মানুষের জন্য ভাল-মন্দের সমস্ত কিছুর বর্ণনা আছে । তারপরও আমরা মানুষেরা যাতে কুরআন কে আর ভাল করে বুঝতে পারি এবং সে অনুযাই আমল করতে পারি তার জন্য আল্লাহ মহানবী (সhappy কে আমাদের মাঝে পাঠিয়েছেন । আমাদের নবীজী কখনোই কুরআনের বাইরে কোনও কথা বলতেন না । তিনি যা কিছু বলে গেছেন তার সমস্ত কিছুই কুরআনে রয়েছে । কিন্তু তিনি কখনোই তার মুখের কথাকে হাদীস রূপে সংরক্ষণ করতে বলেননি । তারপরও কিছু মানুষ তার মৃত্তুর পড়ে অজস্র হাদীসের জন্ম দেন যার বেশীরভাগী ভুলে ভরা ।

ইসলামকে পুজি করে অনেক মানুষ কিছু হাদীস বানওয়াট করে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন যার কোনও ভিত্তি নাই । বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক আলেম ওলামা গণ মনগড়া হাদীস বলে মানুষের মাঝে নিজের পরিচিতি বাড়িয়ে বেবসা করে যাচ্ছেন । আল্লাহ ওনাদের হেদায়েত করুক ।

হাদীস যারা লিখেছেন তারা তো মানুষ , আর আমরা জানি যে মানুষ মাত্রই ভুল , মানুষ শোনে একরকম আর বলে আরেকরকম । তাই যত বড় হাদীসের গ্রন্থ হোক তাতে যে ভুল থাকবেনা এমন কোনও কথা নেই । হাদীস এর কোনও কথা যদি কুরআনের বিপরীতে যায় অথবা কুরআনে যা আছে তার থেকে অতিরিক্ত কিছু যদি হাদীসে পাওয়া যায় তবে তা বাদ দেয়াই আমাদের জন্য মঙ্গল । এতে ইনশাল্লাহ কোনও পাপ হবেনা ।  আমরা যে বুখারী হাদীস পড়ে থাকি তার লেখক নিজেই ছয় লক্ষ হাদীস সংগ্রহ করে তার থেকে পাচ লক্ষ ছিয়ানব্বই হাজার হাদীস বাদ দিয়ে দিয়েছেন । তার এত হাদীস বাদ দেয়াতে যদি কোনও পাপ না হয় তবে পৃথিবীর অন্য সব হাদীস আপনি বাদ দিলেও কোনও পাপ হবেনা বলে আসা করি ।

সব থেকে বড় কথা হল আমাদের সবাইকে কুরআন পড়তে হবে এবং তা বোঝার চেষ্টা করতে হবে যার কোনও বিকল্প নেই । ইনশাল্লাহ কুরআনে এমন কিছু নেই যা আমাদের হাদীসে খুজতে হবে ।

তবে এর অর্থ এই না যে আপনি হাদীস কে দূরে সরিয়ে রাখবেন । হাদীস থেকে যদি কুরআন মোতাবেক ভাল কোনও নির্দেশ পাওয়া যায় যা মানুষের জন্য মঙ্গল তবে তা আপনি গ্রহণ করতে পারেন ।

আসা করি সবাই বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন । তারপরও কোনও প্রশ্ন থাকলে অথবা আমার এই লেখার সাথে দ্বিমত থাকলে লিখে জানাবেন , আমি আপনাদের সকল প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ ।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মো: মাহ্দী হাসান (2012-January-04 14:52(pm))

Share

জবাব: হাদীস নিয়ে দ্বিমত

চমত্কার শেয়ার ।আশা করি চালিয়ে যাবেন ।

ফোরামে আছি ।

জবাব: হাদীস নিয়ে দ্বিমত

আমার জানা মতে হাদিস হলো কুরআনের ব্যাখ্যা। কুরআনে যা অস্পষ্ট তা হাদিস দ্বারা স্পষ্ট করা হয় অথবা কুরআনকে ভাল মতো বুঝার জন্য হাদিসের প্রয়োজন। আমরা হাদিসের সে অংশকে বাদ দিতে পারি যা কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক অথবা বিপরীত বলে। আমরা হাদিসকে কোন ভাবেই মাইনাস করতে বা ছোট করে দেখতে পারি না। তবে হ্যাঁ হাদিসে কিছু বৈপিরত্য দেখা যায় তবে তা আমাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণ। আমাদের সীমাবদ্ধতার কারণে কোন কিছুকেই অবহেলার চোখে দেখতে পারি না। আশা করি বুঝাতে পেরেছি।

আপনার আমন্ত্রণ রইল আমাদেরে এলাকায় মন্তব্য করা ও কিছু লিখার জন্য চলনবিল

Share

জবাব: হাদীস নিয়ে দ্বিমত

আমার জানা মতে আবুল বাশার আল কলি ভাইয়ের মতটিই শুদ্ধ।
আর ইসলামের যে কোন ব্যাপার সিদ্ধ হওয়ার জন্য চারটি দলিল ব্যবহার হয়ে থাকে

  1. আল কুরআন
  2. আল হাদিস
  3. ইজমা
  4. কিয়াস