টপিক: বৈশাখের মৃত দেহ

বৈশাখের মৃত দেহ

আকাশে আজ ওতো উড়ে কি
সাদা, সাদা আর সাদা,
হাতে পায়ে ধরি বলো একবার
ওগো আমার দাদা।

দাদা বলে ওরে নাতি
কাপড় মনে হয়,
বিমানতো আজ আকাশে উড়েনি
ছিটালো কে তাহা তয়?

শুনেছি উত্তরে ঝড় উঠেছিল
তাহলে কি ওগুলো তাঁতের,
আহ! এবার তাঁতিরা ভূগবে
বস্ত্র ও ভাতের।

নাতি বলে শিশুকালে
দাদু তুমি তো বলতে,
চাঁদে নাকি বুড়ি থাকে
দেখেছো সুতো বুনতে।

নাকি বুড়ির জীবন যাত্রায়
বেড়েছে প্রচুর মান,
তাইতো বুড়ি সুতো ছেড়ে
বুনছে কাপড়ের থান।

এমন সময় দেখল দুজন
আসছে যুবতী শত,
কারো বুকের ওড়না নেই
সেকাল হয়েছে গত।

পড়ল মনে দুজনেরই
আজ পহেলা বৈশাখ,
উড়বে সবাই মুক্ত হয়ে
থাকিবেনা কোন রাখঢাক।

আনকালচার(!) দাদু নাতির
দৃষ্টি হলো নত,
বাঙ্গালী নামক অবাঙ্গালী দেখে
ঝড়ে অশ্র“ অবিরত।
দুজনেই মলিন হেঁসে
একে অপরে কয়,
চল দুজন ঘরে ফিরি
মনে জাগে ভয়।

কখন কে-বা এসে বলে
আদিম কালের দল,
বৈশাখ মানে এ রকমই
করিনা কোন ছল।

দেখনা চেয়ে কত যুবক
পাচ্ছে সবে যোশ,
আমাদের এই সাজসজ্জায়
পেয়ে মুক্তোর রস।

বছরের প্রথম দিনেও যদি
দিতে না পারি সুখ,
কেমনে দেখাবো জাতীর কাছে
এমন পোড়া মুখ।

তাইতো আজিকে আমরা সবাই
করেছি অনেক সাঁজ,
মানিনা সবাই আজকের দিনে
পুরানো দিনের লাজ।
(২৮.০৪.২০০৮ ইং, আমবাগান, রাজশাহী, পহেলা বৈশাখের দিনে রাজশাহীতে পদ্মাপাড়ে বেড়ানোর ফলে অনেকের কান্ড দেখে এবং রাজশাহী কলেজে সম্ভবত একদিন প্রথম বারের মত কলেজ কর্তৃক পহেলা বৈশাখ পালন করা হয় আমি ছিলাম আর আমার দু’একজন সামনের কয়টা মেয়ের পোশাক দেখে। অবশ্য সেদিন একটা মেয়েকে ভীরের মধ্যে একটা ছেলে গায়ে হাত দিয়েছিল। আমার যোগ দেবার কারণ স্যার কর্তৃক প্রাকটিক্যালে মার্ক কম দেয়ার ভয় দেখানোর কারণে। পরে একদিন লেখা)

আপনার আমন্ত্রণ রইল আমাদেরে এলাকায় মন্তব্য করা ও কিছু লিখার জন্য চলনবিল